আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) প্রভাবে সৃজনশীলখাতে অনেক মানুষের কাজ হুমকির মুখে। গবেষকরা বলছেন, যেভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নতি হচ্ছে তাতে আগামী দিনগুলোতে অনেক মানুষকে কাজ হারাতে হবে।
শুধু যাান্ত্রিক কর্মকা-ই নয়, অনেক বৃদ্ধিবৃত্তিক কাজও কম্পিউটার করে দেবে। গ্রাফিক ডিজাইন, ভিজ্যুয়াল আর্ট কিংবা কন্টেন্ট রাইটিংয়ের মতো কাজগুলো শুরুতেই হুমকিতে পড়তে পারে।
তবে বিজ্ঞানের এই উৎকর্ষের হাত থেকে কয়েকটি সেক্টরকে নিরাপদ ভাবা হচ্ছে। মার্কিন গবেষক ও রুল অব রোবটস বইয়ের লেখক মার্টিন মুর ভবিষ্যতের জীবনে রোবটের প্রভাব সম্পর্কে বলেন, এটি কোন একক ব্যক্তির ওপর প্রভাব ফেলবে না। হঠাৎ করেই প্রচুর মানুষ প্রায় একই সময়ে এতে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। পুরো অর্থনীতির ওপর এর প্রভাব পড়বে।
বিবিসিকে তিনি বলেন, আমার ধারণা অন্তত তিন ধরণে কাজ রোবটের প্রভাব সত্ত্বেও জব মার্কেটে উত্তাপ ছড়াবে। প্রথমটি হচ্ছে- সেই ধরণের কাজ যেগুলো, কোন সূত্র ধরে করা বা নিয়ম অনুযায়ী ফরম্যাট তৈরি করা নয় বরং যে কাজ সত্যিই মেধার জোরে করতে হয়। এগুলো হতে পারে নতুন আইডিয়া তৈরি কিংবা নতুন কোন পলিসি নিয়ে আসা, যা সত্যিই অভিনব।
এই গবেষক মনে করেন চিকিৎসা, ঔষধ শিল্প কিংবা আইন- প্রতিটি সেক্টরেই এমন কিছু কাজ আছে যেগুলো শুধু মানুষই করতে পারবে।
দ্বিতীয় যে কাজগুলোকে রোবটের প্রভাব মুক্ত মনে করা হচ্ছে, সেগুলো হলো গভীর আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক যুক্ত কাজ। যেমন নার্সের কাজ, বিজনেস কনসালটেন্টের কাজ কিংবা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। এসব কাজে মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন করতে ও ভালো করে বুঝতে হয়। যেটা রোবটের দ্বারা সম্ভব হবে না।
আর তৃতীয় সেক্টরটি হচ্ছে, সেসব কাজ যেগুলো দেখতে সাধারণ মনে হলেও- দক্ষতা, সমস্যার সমাধান ও প্রতিবার নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে হাজির হয়। যেমন ইলেক্ট্রিশিয়ান, প্লাম্বার কিংবা ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির কাজ। এগুলো স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে করা কঠিন। করতে হলেও এমন রোবট দরকার যেটা এখনো মানুষের চিন্তার বাইরে।
আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন : আহমেদ স্টোর


