আজারবাইজান পিক

আজারবাইজান : আগুনের দেশ

আজারবাইজান কেমন দেশ Azerbaijan

একদিকে কাস্পিয়ান সাগর আর অন্য দিকে ককেশাস পবর্তমালা। তার মাঝখানে অপূর্ব সুন্দর এক দেশ। অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন আছে, আছে মানুষের তৈরি নান্দনিক সব স্থাপনা। ইতিহাস-ঐতিহ্যেও অত্যন্ত সমৃদ্ধ দেশটি। পর্যটক আকর্ষণের অনেক উপাদানে ভরপুর দেশটির নাম আজারবাইজান। আজারবাইজানকে আগুনের ভূমি নামেও ডাকা হয়। জানবো অপূর্ব সুুন্দর এই দেশটি সম্পর্কে-

এক নজরে আজারবাইজান

দেশ : আজারবাইজান
অফিশিয়াল নাম : রিপাবলিক অব আজারবাইজান Republic of Azerbaijan
রাজধানী: বাকু Baku
সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা লাভ : ১৮ অক্টোবর, ১৯৯১
আয়তন: ৮৬ হাজার ৬০০ বর্গকিলোমিটার
জনসংখ্যা: ১ কোটি ২৮ হাজার
মুদ্রা: মানাত Manat
রাষ্ট্রভাষা: আজারবাইজানি
জাতীয়তা : আজারবাইজানি
সরকার ব্যবস্থা : সেমি-প্রেসিডেন্সিয়াল
পার্লামেন্ট : এক কক্ষ বিশিষ্ট
ধর্ম : ৯৭ শতাংশ মুসলিম, প্রায় ৩ শতাংশ খ্রিস্টান
শিক্ষিতের হার : ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ

আজারবাইজান কোন মহাদেশে Where is Azerbaijan

দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে পূর্ব ইউরোপের সাথে পশ্চিম এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্তিত দেশটি। আজারবাইজানের উত্তরে রাশিয়া, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, দক্ষিণে ইরান, পশ্চিমে আর্মেনিয়া, উত্তর-পশ্চিমে জর্জিয়া। এছাড়াও ছিটমহল নাখশিভানের মাধ্যমে তুরস্কের সাথে দেশটির একচিলতে সীমান্ত আছে।

আর্মেনিয়ার পর্বতের একটি সরু সারি নাখশিভান ও আজারবাইজানকে পৃথক করেছে। কাস্পিয়ান সাগরে অবস্থিত অনেকগুলি দ্বীপও আজারবাইজানের অন্তর্ভুক্ত। দেশটিতে মূলত শিয়া মুসলিম ধর্মাবলম্বী আজেরি জাতির লোকদের বাস। আছে তুর্কি জাতির লোকেরাও। কাস্পিয়ান সাগরতীরে অবস্থিত বন্দর বন্দরনগরী বাকু Baku দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।

প্রথম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সেক্যুলার রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে দেশটি

প্রস্তর যুগ থেকেই আজারবাইজানে মানব বসতির প্রমাণ পাওয়া যায়। মধ্যযুগে দেশটির নিয়ন্ত্রণ অনেকবার হাতবদল হয়েছে। আব্বাসীয়, উমাইয়ারা যেমন শাসন করেছে তেমনি সাসানি, বাইজেন্টাইনদের দখলেও ছিলো দেশটি। ওসমানীয়রাও শাসন করেছে অনেকদিন। তবে সবচেয়ে বেশি সময় ছিলো রুশ ও পারস্য সম্রাজ্যের সাথে।

Azerbaijan Map
মানচিত্রে আজারবাইজান

১৮শ ও ১৯শ শতকে ককেশীয় এই দেশটি পর্যায়ক্রমে রুশ ও পারস্যদেশের শাসনাধীন ছিল। রুশ গৃহযুদ্ধকালীন সময়ে ১৯১৮ সালে আজারবাইজানের উত্তর অংশটি একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসেবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। কিন্তু মাত্র ২ বছরের মাথায় ১৯২০ সালে বলশেভিক সেনারা এটি আক্রমণ করে আবার রুশ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলে ১৯৯১ সালের ১৮ অক্টোবর আজারবাইজান স্বাধীনতা লাভ করে।

আজারবাইজান কেমন দেশ

আজারবাইজান কেমন দেশ সেটি জানতে হলে আগে এর মানুষদের সম্পর্কে ধারনা নিহেত হবে। বিশ্বে প্রথম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সেক্যুলার রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে দেশটি। আজারবাইজানের জনসংখ্যার বড় অংশ শিয়া মুসলিম। মুসলিমদের ১৫ শতাংশ সুন্নী। জাতিগত আজেরি ও তুর্কিদের পাশাপাশি দেশটিতে বাস করে কিছু আর্মেনীয়।

কাস্পিয়ান সাগরের তীর ঘেঁষে বাকু নগরী

আজারবাইজানের অর্থনীতির প্রধান চালিকা খনিজ সম্পদ। দুই তৃতীয়াংশ ভূখণ্ড প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ। প্রচুর তেল উৎপাদন করে আজারবাইজান। দেশের বিভিন্ন জায়গায় চোখে পড়বে তেলের পাইপলাইন। ১৯৯৪ সালে পশ্চিমা ১৩টি তেল কোম্পানির সাথে চুক্তি করে আজারবাইজান সরকার। যেটি দেশটির তেল শিল্পে বিপ্লব সৃষ্টি করে।

এছাড়া ককেশাস পাবর্ত্য অঞ্চলে আছে সোনা, রুপা, লোহা, তামা, টাইটেনিয়াম, ক্লোরিয়ামসহ আরো অনেকগুলো প্রাকৃতিক সম্পদের খনি। এছাড়া মধ্যঞ্চলের বিস্তির্ন সমভূমি ও কাস্পিয়ান উপকূলীয় এলাকার কৃষি দেশটির অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। কাস্পিয়ান সাগরের মৎস সম্পদও অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে।

আরেকটি বড় ভুমিকা আছে পর্যটন শিল্পের। গত শতাব্দীর আশির দশকেই জনপ্রিয় পর্যটন স্পট হিসেবে পরিচিতি পায় আজারবাইজান। তবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ও নাগরনো-কারাবাখ যুদ্ধের কারণে এই শিল্পে কিছুটা ধস নামলেও পরবর্তিতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে পর্যটকদের আস্থা ফেরাতে।

যার মধ্যে অন্যতম ছিলো ৬৩টি দেশের নাগরিকদের ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ দেয়া। যার ফলও পেয়েছে দেশটি। এক সূচকে দেখা গেছে পর্যটন শিল্পে দ্রুত উন্নতি করছে এমন দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে আজারবাইজান।

আজারবাইজান আর্মেনিয়া যুদ্ধ Azerbaijan Armenia War

আজারবাইজান মুসলিম প্রধান দেশ, আর আর্মেনিয়া খ্রিস্টান প্রধান দেশ। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাঙনের পর দেশ দুটি স্বাধীন হয়; কিন্তু আজারবাইজানের ভূখণ্ডের মধ্যে নাগোরনো-কারাবাখ নামের পার্বত্য অঞ্চলটিতে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বিচ্ছিন্নতাবাদ। এই অঞ্চলটির বাসিন্দারা মূলত জাতিগত আর্মেনীয়। তারা আজারবাইজানের সাথে থাকতে চায় না। এদের বিদ্রোহে মদদ দেয় আর্মেনিয়া।

আন্তর্জাতিক আইনে ভূখণ্ড টিকে আজারবাইজানের অংশ বলা হলেও সেটির ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই বাকু সরকারের। অঞ্চলটির জাতিগত আর্মেনীয়রা চায় পাশ্ববর্তী দেশ আর্মেনিয়ার সাথে যুক্ত হতে।  ৪৪০০ বর্গকিলোমিটারের অঞ্চলটিতে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা একটি সরকারও কায়েম করেছে।

১৯৯১ সালে এখানকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজেরি সরকারের সাথে যুদ্ধে নামে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আর তাদের পৃষ্ঠপোষক আর্মেনিয়া। ওই যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি লোক নিহত হয়। অঞ্চলটি দখলে নেয় আর্মেনিয়া, আর সেখান থেকে বিতাড়িত করা হয় আজেরিদের।

এরপর অঞ্চলটি নিয়ে বেশ কয়েক দফা যুদ্ধ হয়েছে দুই দেশের। সর্বশেষ ২০২০ সালের যুদ্ধে বেশ কিছু এলাকা উদ্ধার করে আজারবাইজান। এরপর তারা সেখানে আদি বাসিন্দাদের ফিরিয়ে নিতেও শুরু করে

আজারবাইজানের রাজধানী কোথায়

আজারবাইজানে পর্যটক আকর্ষণের মূল কেন্দ্রবিন্দু রাজধানী বাকু Baku। কাস্পিয়ান সাগর পাড়ের বিশাল এই নগরীতে প্রতি বছর পা পড়ে কয়েক লাখ বিদেশী পর্যটকের। পর্যটকদের মনোরঞ্জনের জন্য নানা আয়োজন রয়েছে এখানে। কাস্পিয়ান সাগরের তীর ঘেষে চমৎকার সড়ক ও পার্ক এই দেশটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছে সেরা আকর্ষণ। কাস্পিয়ান সাগরের নীল জলরাশির সৌন্দর্য উপভোগ করা পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে উপভোগ্য। সাগড় পাড়ে রেস্ট্রুরেন্টসহ রয়েছে বিনোদনের নানা আয়োজন।

আরো পড়ুন :

ব্রাজিল : ফুটবল আমাজন আর ঐতিহ্যের দেশ

আর্জেন্টিনা : ফুটবলের দেশ, সৌন্দর্যের দেশ

মহাপ্রাচীরের দেশ চীন

পর্যটকদের কাছে আরেকটি আকর্ষণীয় স্থান বাকুর ওল্ড সিটি। প্রাচীন বাকুর অনেক নিদর্শন আছে এখানে, আছে দারুণ কারুকার্যময় বিভিন্ন স্থাপনা। ধারণা করা হয় এই জায়গাটি খ্রিস্টিয় সপ্তম শতকে নির্মিত। ইউনেসকো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য এই ওল্ড সিটি। প্রাচীন যুগের দেয়াল ঘেরা এই জায়গাটির আরেক নাম ওয়ালেড সিটি। এই স্থানটির আন্ডারগ্রাউন্ডেও পাওয়া গেছে ১৯ শতকের কিছু স্থাপনা।

ওল্ড সিটির মধ্যেই আরেকটি জায়গা আলাদাভাবে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। সেটি মেইডেন টাওয়ার। ৯৭ ফুট উচু এই টাওয়ারে উঠে এক নজরে দেখা যায় কাস্পিয়ান সাগর ও পুরো বাকু নগরী। এখানে আছে একটি মিউজিয়াম। যেখানে যুগে যুগে বাকুর বিবর্তনের নানা ইতিহাসের স্মারক রাখা হয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য। টাওয়ারের বর্তমান কাঠামোটি ১২শ শতকের। তবে গবেষকরা বলেন, এর আদি কাঠামোটি নির্মিত হয়েছিল খিস্টপূর্ব ৭০০ শতাব্দীতে।

Baku Flame tower
ফ্লেম টাওয়ার্স, বাকু

ঐতিহ্যের পাশাপাশি বাকু নগরীতে গেলে আপনার অবশ্যই চোখে পড়বে অত্যাধুনিক নির্মাণশৈলী। যেগুলোতে আছে সোভিয়েত স্থাপত্যেশৈলীর ছাপ। ফ্লেম টাওয়ার দেখার লোভ আপনি সামলাতে পারবেন না। আগুনের দেশ হিসেবে পরিচিত আজারবাইজান। সেটির কথা স্মরণ করিয়ে দিতেই তিনটি অগ্নিশিখার মতো করে তৈরি করা হয়েছে তিনটি টাওয়ার। এর মধ্যে সর্বোচ্চ টাওয়ারটি ৫৯৭ ফুট উচু। রাতের বাকু আরো আকর্ষণীয়। রাত বাড়ার সাথে সাথে আপল্যান্ড পার্ক, ডাউনটাউন, ফাউন্টেন স্কয়ার কিংবা নিজামী স্ট্রিট যেন নতুন করে জেগে ওঠে। কার্পেট মিউজিয়াম, মিনি ভেনিস কিংবা মধ্যযুগের কবি নিজামি গজনভীর স্মৃতিস্তম্ভ দেখার লোভও আপনি সামলাতে পারবেন না।

ইয়ানার ড্যাগ Yanar Dag

বাকুর বাইরেও পর্যটক আকর্ষণের অনেক উপদান আছে দেশটিতে। আজারবাইজানে বেড়াতে গেলে ইয়ানার ড্যাগ দেখতে অবশ্যই যেতে হবে। অ্যাবশেরন উপদ্বীপের একটি এলাকায় দশ মিটার জায়গা জুড়ে অবিরামভাবে জ্বলছে আগুন। কয়েক হাজার বছর আগ থেকেই এই আগুন জ্বলছে। বৃষ্টি, ঝড় কোন কিছুতেই নেভে না এই আগুন।

এক সময় আজারবাইজানের বিভিন্ন জায়গায়ই এমন আগুন জ্বলতে দেখা যেত। যে কারণে দেশটি পরিচিতি পেয়েছে আগুনের ভূমি হিসেবে। ভূ-গর্ভস্ত গ্যাসের মজুদের কারণেই এই আগুন।

বাণিজ্যিক ভাবে গ্যাস উত্তোলনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ধীরে ধীরে আগুনের ঘটনা বেশ কমে এসেছে। এখনো টিকে থাকা এই ধরনের আগুনগুলোরই একটি হল ‘ইয়ানার ড্যাগ’। অবিরাম জলছে এই অগ্নিকুণ্ডটি। ১৯৯৮ সালে যেটি বিশ্ব ঐতিহ্যময় স্থানের স্বীকৃতি লাভ করে। প্রতি বছর এখানে গড়ে অন্তত ২৫ হাজার পর্যটক ভ্রমণে আসে।

ইয়ানার ড্যাগ

ককেশাস পবর্তমালা দেখতে হলে যেতে হবে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে। আজারবাইজান ও আর্মেনিয়াকে পৃথক করেছে এই পবর্তমালা। পাহাড়ি জনপদ ও বিস্তৃত সড়কগুলো শীত ও গ্রীষ্মে আলাদা আলাদা সৌন্দর্য নিয়ে হাজির হয়। এখানকার শেকি নগরী পাহাড়ের পাদদেশে গড়ে ওঠা এক প্রাচীন জনপদ যেটি ঐতিহ্যবাহী সিল্কের জন্য বিখ্যাত। ঐতিহাসিক সিল্ক রোডের অন্যতম একটি পয়েন্ট ছিল এই শেকি। অষ্টাদশ শতকের অনেক স্থাপনা আছে এখানে।

গাবালা

অপূর্ব সুন্দর এক নগরী উত্তরাঞ্চলীয় গাবালা। পাহাড়, ঝর্না আর সবুজে ঘেরা এই অঞ্চলটি যেন প্রকৃতি তার নিজের হাতে সাজিয়েছে। গাবালায় গেলে এখানাকার বিশ্ববিখ্যাত ওয়ানই ফ্যাক্টরি, তুফানডাগ পর্বত ও নহুর লেক দেখতে ভুলবেন না যেন। শীতে এই অঞ্চলের তাপমাত্রা নামে ৩-৪ ডিগ্রিতে। কেবলকারে চড়ে তুষারাবৃত তুফানডাগ পর্বতের ১৩৭০ ফুট উচ্চতায় ওঠা কিংবা পাহাড়ের পাদদেশে নহুর লেকে নৌকা নিয়ে ঘুড়ে বেড়ানোর সুযোগ আর কোথায় গেলে পাবেন? একটু কষ্ট স্বীকার করলে পিচ্ছিল সিড়ি উঠতে পারবেন সেভেন বিউটিজ ঝর্ণায়। তবে সেক্ষেত্রে থাকতে হবে সাবধান, পা পিছলে ঘটতে পারে বিপদ।

অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের কাছে অবশ্য জায়গাটা খুবই জনপ্রিয়। গাবালায় প্রাচীন মুসলিম ঐতিহ্যের নিদর্শন হিসেবে আছে কিছু মসজিদ। বনাঞ্চলের সৌন্দর্য দেখতে হলে যেতে পারেন গয়গল ন্যাশনাল পার্ক, নীল পানির গয়গল লেক ও আশপাশের এলাকায়। মুগ্ধতার শতভাগ গ্যারাটি আছে সেকথা বলাই যায়।

আজারবাইজান ঘুরতে গেলে অবশ্যই হাতে একটু সময় নিয়ে যেতে চেষ্টা করবেন। কারণ এই দেশটিতে দেখার মতো আছে অনেক কিছুই। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থাপনা আর আধুনিক বিনোদনের এমন অপূর্ব সমন্বয় বিশ্বের খুব কম দেশেই আছে।

এই লেখা পড়ে আজারবাইজান কেমন দেশ সেটি কতটা জানতে পারলেন তা মন্তব্যের ঘরে লিখে আমাদের জানান। আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন : আহমেদ স্টোর

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top