এশিয়ার প্রাচীন ও সমৃদ্ধ এক জাতিগোষ্ঠি পশতুন বা পাঠান জাতি। পাহাড়ি এই জাতিগোষ্ঠিটির বসবাস মূলত পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে। মধ্যপ্রাচ্যের কুর্দিদের মতো তারাও ভাগ হয়ে পড়েছে কয়েকটি দেশের মধ্যে। পাঠানদের খ্যাতি আছে সাহসী জাতি হিসেবে। তারা অতিথিপরায়ন, ধার্মিক, পরিশ্রমী ও দৃঢ়চেতা। তাদের জাতিগত চেতনা খুব বেশি। যে দেশেই বাস করুক, সবার আগে নিজেকে পাঠান হিসেবে পরিচিয় দিতে পছন্দ করে। একজন পাঠান তার বংশ বা গোত্রের সম্মানের জন্য জীবন দিতে কুণ্ঠাবোধ করে না। তবে শিক্ষা ও মানব উন্নয়ন সূচকে পিছিয়ে থাকার কারণে পাঠান অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে রয়েছে অপরাধ প্রবণতা।
পশতুন বা পাঠানদের সম্পর্কে আরো অনেক কিছু জানাবো এই লেখায়।
পশতুন কবি গনি খান লিখেছেন, আমি তাদের পছন্দ করি। এর প্রধান কারণ তারা মুখ ধুয়ে, চুল-দাড়িতে তেল মেখে, গায়ে সুগন্ধি লাগিয়ে, সবচেয়ে সুন্দর পোষাকটি গায়ে চাপিয়ে হাসি মুখ যুদ্ধে যেতে পারে এবং মৃত্যুবরণ করতে পারে।
পাঠানদের সাহসিকতা নিয়ে অনেক গল্প উপাখ্যান প্রচলিত রয়েছে। পাঠান জাতি কঠোর দৃষ্টি ও মানসিকতার বড়াই করে। এই জাতির লোকেরা লড়াই করতে ভয় পায় না। যেকোন পরিস্থিতিতে বন্দুক হাতে ঝাপিয়ে পড়তে পারে। শত্রু কে, কিংবা কতটা শক্তিশালী সেটি বিচার করার সময় পাঠানদের থাকে না। একটি শিশুকে ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয় কিভাবে লড়াই করতে হবে এবং জিততে হবে। পশতু ভাষায় বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ হচ্ছে ‘দা ছার না পাসা, ছার না মানাম’ অর্থাৎ আমার শিরের চেয়ে উচ্চ শির আমার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। পাঠানরা মাথা উচু রাখতেই পছন্দ করে। প্রয়োজনে জীবন দিয়ে দেবে তবু মাথা নিচু করার মানসিকতা পাঠান সমাজে নেই।

নিজের গোত্র, জাতি বা ভূখণ্ড কিংবা এর সম্মান রক্ষার জন্যও জীবন দিতে পারে পাঠান জাতি । তারা ব্রিটিশ, সোভিয়েত এবং মার্কিনীদের সাথে লড়াই করেছে। প্রতিটি যুদ্ধেই তারা হারিয়েছে পরাশক্তিগুলোকে। তবে তাদের এই সাহস যে শুধু লড়াইয়ের ক্ষেত্রে তা নয়। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পশতুনরা সাহসের পরিচয় দেয়।
মাথা উচুঁ পাঠান
একজন বৃদ্ধ পশতুন ব্যক্তিও কখনো অন্যের আয়ের ওপর ভরসা করে বাঁচতে পছন্দ করে না। একজন প্রতিবন্ধী কিংবা রোগগ্রস্ত পাঠানও জীবনযুদ্ধে হার মানতে রাজি নন। একজন পাঠান যদি কাউকে হত্যা করে তখন সবার আগে দেখা হয় সে কেন হত্যা করেছে। যদি কারণটি যৌক্তিক মনে হয়, তবে হত্যাকারীর প্রতি তাদের কোন ক্ষোভ থাকে না।
পড়ুন : আফ্রিদি নামের অর্থ কী, আফ্রিদি কাদের বলা হয়
এই সাহসীকতা আর মাথা উচু রাখার প্রবণতা অবশ্য তাদের জীবনে বহুভাবে ক্ষতিগ্রস্থও করে থাকে। নিজেদের মধ্যে হত্যা, খুনোখুনি পাঠান সমাজে লেগেই থাকে। ঝড়ে যায় বহু প্রাণ। আবার একই কারণে রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি থোরাই কেয়ার ভাবও পশতুনদের রয়েছে। নিজস্ব সমাজে প্রচলিত নিয়মকে বেশি গুরুত্ব্ দেয় তারা।
পাঠান কারা
পাঠানরা মূলত ইরানি জাতিগোষ্ঠির অন্তর্গত। তাদের বসবাস প্রধানত দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ায়। এর মধ্যে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানেই বেশি। আফগানিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ পাঠান। আর পাকিস্তানে তারা দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠি। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ১৫ থেকে ১৮ শতাংশ পাঠান।
পাঠানদের মোট সংখ্যা আনুমানিক ৫০ মিলিয়ন। তবে আফগাস্তিানে কয়েক দশক ধরে আদমশুমারী না হওয়ায় তাদের সঠিক সংখ্যা জানা কঠিন। জনসংখ্যার হিসেবে পশতুনরা বিশ্বে ২৬তম জাতিগোষ্ঠি। তাদের ভাষা পশতু। এই ভাষাটি একটি পূর্ব ইরানি ভাষা থেকে উদ্ভুত। তবে আফগানিস্তানে বসবাসরত পশতুনদের বেশির ভাগই দারি ভাষায় কথা বলতে অভ্যস্ত। আর পাকিস্তানের অনেকে আবার উর্দুতে অভ্যস্ত। তবে পশতু ভাষাই তাদের নিজস্ব ভাষা।
পাঠান মুলুকে
কয়েক হাজার বছর ধরে পাঠানরা বসবাস করছে মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায়। আধুনিক আফগানিস্তানের ইতিহাসের প্রথম বীর আহমদ শাহ দূররানী এই পশতুনদেরই পূর্ব পুরুষ। তার সময় থেকেই দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া পশতুনদের শাসনের সূত্রপাত। বর্তমানে এই জাতির লোকদের সংখ্যা আফগানিস্তানে সবচেয়ে বেশি। এরপর রয়েছে পাকিস্তান ও ভারতে। পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় পাবর্ত্য এলাকাগুলোতে বসবাস পশতুনদের।

খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশ ও কেন্দ্রশাসিত উপজাতীয় অঞ্চল পশতুনদের আবাসভূমি। এছাড়া উত্তর বালুচিস্তানেও কিছু পশতুনের বসবাস রয়েছে। পাকিস্তানের উল্লেখযোগ্য শহরগুলোর মাঝে পেশোয়ার ও কোয়েটা পশতুন অধ্যুষিত শহর। তবে পাকিস্তানের শহরগুলোর মাঝে সবচেয়ে বেশি পশতুন বসবাস করে করাচিতে।
পশতুন অধ্যুষিত এলাকা থেকে অনেক দূরে হলেও এই নগরীতে গিয়ে আবাস গড়েছে তারা। বর্তমানে করাচিতে ৮০ লাখের বেশি পশতুন বা পাঠান বসবাস করে। আফগানিস্তানের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় কান্দাহার, জালালাবাদ, কাবুল, লস্করগাহ, কুন্দুজের বিস্তির্ণ এলাকায় পশতুন জাতির বসবাস। আর ভারতের দিল্লি, মুম্বাই ও উত্তর প্রদেশে প্রচুর পশতুনের বসবাস।
জানেন তো পাঠানরা বড্ড আড্ডাবাজ। গল্পগুজব না করে একমাইলও পথ চলতে পারে না। আর কাউকে না পেলে সে বসে যাবে রাস্তার পাশে। মুচীকে বলবে দাওতো ভায়া আমার পয়জারে (জুতা) গোটা কয়েক পেরেক ঠুকে।…. কিন্তু আসল কথা হচ্ছে লোহা ঠোকানো – না ঠোকানো অবান্তর- মুচীর সঙ্গে আড্ডা দেবার জন্য ই তার অজুহাত’
– দেশে বিদেশে, সৈয়দ মুজতবা আলী
৩৫০ থেকে ৪০০টি উপজাতি রয়েছে এই জাতির মধ্যে। আফ্রিদি, শিনওয়ারি, মেহসুদ, কাকার, মাহমুদ, ইউসুফজাই, তুরি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। প্রাচীনকালে উপজাতীয় গোষ্ঠিগুলোর এলাকা ছিলো আলাদা আলাদা। তবে আধুনিক যুগে ও নগরায়নের প্রভাবে তারা মিলেমিশে বসবাস করছে।
পাঠান জাতি : ইতিহাস
পশতুনদের ঐতিহাসিক ভূখণ্ডটি পশতুনিস্তান নামে পরিচিত। তবে অঞ্চলটি ভাগ হয়ে গেছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তের দুই পাশে। ১৮৯৩ সালে ডুরান্ড লাইন চুক্তির মাধ্যমে আফগানিস্তানের পূর্ব সীমান্ত নির্ধারিত হয়েছিল। আফগানিস্তানের ততকালীন আমির আবদুর রহমান ব্রিটেনের এই সীমান্ত বিষয়ক প্রস্তাবনার বিরোধীতা করেছিলেন, কারণ এর মাধ্যমে পশতুন জাতির ভূখণ্ড বিভক্ত হয়ে পড়ে।
বিশাল এই জাতি গোষ্ঠিটি ভাগ হয়ে গিয়েছিলো ভারতীয় উপমহাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যে। পাকিস্তানের মার্কিন দূতাবাসের সাবেক কালচারাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার জেমস স্পাইন পরবর্তীতে লিখেছেন, একই সংস্কৃতি, ইতিহাস, ও রক্তের বন্ধনে থাকা জাতি গোষ্ঠির অর্ধেক লোক পরে গেছে সীমান্তের ভারতীয় অংশে, বাকিরা অন্য পাশে। আমির আবদুর রহমান ব্রিটিশদের চাপে সেই সীমান্ত মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।
তবে কিছুদিন পর পশতুনদের জন্য পৃথক ভূখণ্ড হিসেবে পশতুনিস্তান গঠনের দাবি ওঠে। এই দাবিতে সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা ছিলো আফগানিস্তানের। কাবুলের দাবি ছিলো পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় পশতুন অধ্যুষিত এলাকাগুলো পৃথক করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের। খাইবার পাখতুনখোয়া, কেন্দ্রশাসিত উপজাতীয় অঞ্চল ও উত্তর বালুচিস্তান ছিলো এর মধ্যে। সোভিয়েত শাসনের যুগে পাকিস্তানের পশতুনদের বিচ্ছিন্নতাবাদী হতেও নানাভাবে উস্কানি দিয়েছে আফগানিস্তান। অর্থ ও অস্ত্র দিয়েও সহযোগিতা করেছে।
পাঠানরা কোন ধর্মের অনুসারী
পশতুনরা প্রধানত মুসলিম এবং তাদের বেশিরভাগই হানাফি মাজহাবের অনুসারী। পাকিস্তানের কেন্দ্রশাসিত উপজাতীয় অঞ্চল ও আফগানিস্তানের পাকতিয়া প্রদেশে কিছু সংখ্যক শিয়া পশতুন রয়েছে। এদের মধ্যে তুরি উপজাতীটি শিয়াপ্রধান, আর বাঙ্গাস উপজাতীয় পশতুনদের মাঝে ৫০ শতাংশ শিয়া। এছাড়া হিন্দু, শিখসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীও রয়েছে অল্প কিছু।

পাঠানদের নিজস্ব সংস্কৃতি পশতুনওয়ালি
পশতুনদের নিজস্ব সংস্কৃতি খুবই সমৃদ্ধ। যা পশতুনওয়ালি নামে পরিচিত। পশতুন বা পাঠানরা সব কিছুর উর্ধ্বে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়। শিশুদের জন্মের পর থেকেই শেখানো হয় এসব বিষয়। এর বাইরে যাওয়া পশতুন সমাজে ভীষণভাবে নিষিদ্ধ। পশতুনওয়ালির কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতি রয়েছে। যার মধ্যে একটি আতিথিয়েতা। তারা খুবই অতিথিপরায়ন একটি জাতি। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যে কোন অতিথিকে সর্বোচ্চ সম্মান দেয় পাঠানরা।
পাঠান জাতি : অতিথিপরায়নতা
এটি তাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগুলোর একটি। যে কোন ব্যক্তি পশতুন পরিবার বা এলাকায় আশ্রয় নিলে তারা তাকে নিরাপদ রাখার জন্য সব কিছু করবে। এমনিক শত্রুও এসে যদি আশ্রয় চায়, পাঠানরা তখন শত্রুতা ভুলে তাকে আতিথিয়েতা দিতে প্রস্তুত।
এই কারণেই ২০০১ সালে তালেবান প্রধান মোল্লা মোহাম্মাদ ওমর আল কায়দা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি কোন অতিথির সাথে বেইমানির ইতিহাস গড়তে চাই না। প্রয়োজনে নিজের জীবন ও সরকার ত্যাগ করতে পারি। যতক্ষণ সে আমাদের আশ্রয়ে আছে, তাকে ছুড়ে ফেলে দিতে পারি না। এবং শেষ পর্যন্ত এই ঐতিহ্য রক্ষা করতে গিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের মুখে ক্ষমতা হারাতে হয়েছে তালেবানকে। আফগানিস্তান জড়িয়েছে দীর্ঘ ২০ বছরের এক যুদ্ধে।
কথা সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী তার বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী ‘দেশে বিদেশে’ বইয়ে লিখেছেন, ‘আজ বলতে পারি পাঠানের অভ্যর্থনা সম্পূর্ণ নির্জলা আন্তরিক। অতিথিদের বাড়িতে ডেকে নেয়ার মতো আনন্দ পাঠান অন্য কোন জিনিসে পায় না- আর সে অতিথি যদি বিদেশী হয় তা’হলে তো আর কথাই নেই’।
আরেক অধ্যায়ে লিখেছেন, ‘পাঠান জীবনের প্রধান আইন, একলা বসে নবাবী খানা খাওয়ার চেয়ে ইয়ারবক্সীর সঙ্গে শুকনো রুটি চিবানো ভালো।’
পাঠান জাতি প্রতিশোধপরায়ন
তাদের আরেকটি সংস্কৃতি হচ্ছে ন্যায় বিচার ও প্রতিশোধ নেয়া। যে কোন ইস্যুতে সমাজপতিরা বসে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করে। আবার কেউ তাদের ওপর অন্যায় করলে তার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। যত সময়ই লাগুক একজন পাঠান প্রতিশোধ না নিয়ে মরতে রাজি নন।
সৈয়দ মুজতবা আলী লিখেছেন, … ভাইকে বাঁচানোর জন্য সে অত্যন্ত শান্তমনে যোগাসনে বসে আঙ্গুল গোনে, নিদেনপক্ষে তাকে ক’টা খুন করতে হবে।
তারা ঐক্যবদ্ধ থাকতে পছন্দ করে এবং প্রচণ্ড রকম ধার্মিক। ছোটবেলা থেকেই পাঠানদের ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়। পাঠান সমাজে ধর্মীয় বিধিবিধান লঙ্ঘন সহ্য করা হয় না। পাঠানরা কারো দয়ায় বাঁচতে পছন্দ করে না। যে কারণে বৃদ্ধদেরও দেখা যায় কোন না কোন কাজ করতে। তাদের সমাজে নারীদের অত্যন্ত সম্মানের চোখে দেখা হয়।

পাঠানদের মাঝে আধুনিকতা ও শিক্ষার প্রসার খুব একটা হয়নি। পাহাড়ি হওয়ার কারণে তাদের মানসিকতাতেও রয়েছে স্বাধীনচেতা ও উগ্র ভাব। রাষ্ট্রীয় আইনের থোরাই কেয়ার করার অভ্যাসও রয়েছে। যে কারণে এসব অঞ্চলে উন্নয়ন ও শিক্ষার হার খুবই কম। নিজেদের মাঝে সঙ্ঘাত, খুনোখুনিও আছে খুব। নিজেরাই অস্ত্র তৈরি করে কোন তারা। এটি তাদের কাছে বেআইনি কোন বিষয় নয়। আবার বিশ্বরাজনীতিরও দায় রয়েছে পাঠানদের এই অবস্থার জন্য। যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তানসহ অনেক দেশই তাদের ব্যবহার করেছে রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে।
বিখ্যাত পাঠান
বড় অংশটাই অনগ্রসর হলেও পাঠানরা অনেকেই শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতির মতো বিষয়গুলোতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতি লাভ করেছেন। পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ও পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান একজন জাতিগত পাঠান। তার জন্ম পাঠানদের নিয়াজি উপজাতির একটি পরিবারে।
আরো পড়ুন :
কুর্দি জাতি : ভূখণ্ডহীন এক জনগোষ্ঠি
পাকিস্তানের আরেক সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ উল হকও নিয়াজি উপজাতির। শহীদ আফ্রিদি, শাহিন শাহ আফ্রিদিও জাতিগত পাঠান। পাকিস্তান ক্রিকেট দলে দলে সব সময়ই ৫-৭ জন পাঠান ক্রিকেটার থাকেন। আফগান ক্রিকেট দলেও একই অবস্থা।
ক্রিকেটের বাইরে আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই, মুজাহিদিন নেতা গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার, নোবেল জয়ী মালালা ইউসুফ জাই, বলিউড অভিনেত্রি জারিন খানসহ বিভিন্ন সেক্টরে অসংখ্য গুরতুপূর্ণ ব্যক্তিত্ব রয়েছেন পাঠান জাতির।
আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন : আহমেদ স্টোর



অসংখ্য ধন্যবাদ ; মনটা অনেক ভরে গেল। জ্ঞান বিকশিত করার এ মহৎ উদ্যোগ আমরণ অব্যাহত থাকুক এটাই প্রার্থনা।
একই সাথে আমাদের মত ক্ষুদেে লেখকদের ভাঙ্গাচুরা কিছু লেখা মাঝে মাঝে পাঠালে সংযোজন বিয়োজন করে প্রকাশ উপযুক্ত করার অনুরোধ থাকলো।
ধন্যবাদ, স্বাগতম। অতিথি কলামে যে কেউ লিখতে পারবেন।