হামজা ইউসুফ : ইউরোপের মুসলিম রাষ্ট্রনেতা

পশ্চিম ইউরোপের কোন দেশের প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রনেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন স্কটল্যান্ডের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান হামজা ইউসুফ ( Hamza Yusuf )। পাকিস্তানি বংশোদ্ভ’ত হামজা তৃণমূল থেকে শুরু করে পৌছে গেছেন স্কটিশ রাজনীতির সর্বোচ্চ পদে। হামজার এই সাফল্য দারুণ এক যোগসূত্র তৈরি করেছে পাঞ্জাবের সাথে এডিনবার্গের। বয়স মাত্র ৩৭ বছর। স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার পক্ষে জোরালো কণ্ঠস্বর হামজা অভিবাসী, সংখ্যালঘের পক্ষেও জোরালো ভুমিকা রাখছেন।

এমপি ও মন্ত্রী হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাই তাকে পৌছে দিয়েছে সরকারপ্রধানের পদে। স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার হামজা ইউসুফের জীবনের নানা দিক সম্পর্কে জানাবো এই লেখায়।

হামজা ইউসুফ : বয়স মাত্র ৩৭ (Hamza Yusuf)

কয়েকদিন ধরে অনলাইনে ব্যাপকহারে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটি ছবি। বাড়ির মেঝেতে মোটা কার্পেটের ওপর নামাজ আদায় করছেন কয়েকজন মুসলিম। এই মুসল্লিরা সবাই একটি পরিবারের সদস্য। আর বাড়িটির নাম বুট হাউজ, এডিনবার্গ নগরীর এই বাড়িটি স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টারের সরকারি বাসভবন। নামাজে ইমামের জায়গায় যিনি ছিলেন তিনি হামজা ইউসুফ, স্কটল্যান্ডের নতুন ফার্স্ট মিনিস্টার। আর মুক্তাদিরা সবাই তার পরিবারের সদস্য।

Humza Yusuf
হামজ ইউসুফ : সরকারি বাসভবনে পরিবারের সাথে নামাজে

ছবিটি মার্চের ২৯ তারিখের (২০২৩), সেটি ছিলো বুট হাউজে নতুন ফার্স্ট মিনিস্টার হিসেবে হামজা ইউসুফের প্রথম দিন। নিয়ম অনুযায়ী শপথ নেয়ার পর সেদিনই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সরকারি বাসভবনে ওঠেন তিনি। নতুন বাসভবনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জামায়াতের সাথে মাগরিবের নামাজ আদায়ের ওই ছবিটি হামজা ইউসুফ নিজেই শেয়ার করেছেন টুইটারে। এরপর অনলাইন দুনিয়া লুফে নেয় ছবিটি।

পশ্চিম ইউরোপের কোন দেশের সরকার প্রধান তার বাসভবনে নামাজ আদায় করছেন- এমন ঘটনা এই প্রথম। হামজা ইউসুফই প্রথম বিশ্বের সমৃদ্ধতম অঞ্চলটির কোন দেশের মুসলিম সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন।

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হামজা ইউসুফ স্কটল্যান্ডের ক্ষমতাসীন দল স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির প্রধান নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে দেশটির ষষ্ঠ ফার্স্ট মিনিস্টার হিসেনে মনোনীত হন। সাংবিধানিকভাবে স্কটল্যান্ড ব্রিটেনের অধীন। ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে স্বায়ত্বশাসন ভোগ করে দেশটি। স্কটিশ সরকারের প্রধানকে বলা হয় ফার্স্ট মিনিস্টার। এই পদটি অনেকটা বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রী পদের মতোই।

যে কারণে দায়িত্ব গ্রহণের পরই হামজা ইউসুফের নামটি সারা বিশ্বে আলোচিত টপিক হয়ে উঠেছে। স্কটল্যান্ডের প্রথম মুসলিম ও প্রথম অভিবাসী ফার্স্ট মিনিস্টার হিসেবে হামজা ইউসুফের মনোনীত হওয়াটা ইউরোপীয় অভিবাসী মুসলিমদের জন্যও একটি বড় ঘটনা। বয়স মাত্র ৩৭ বছর, এই বয়সের একজন অভিবাসী ও সংখ্যালঘু নাগরিকের ইউরোপের একটি দেশকে নেতৃত্ব দেয়ার ঘটনা বিশ্ব রাজনীতিতে বিরল।

খুব কম সময়ে রাজনীতিতে দ্রুত অগ্রসর হয়েছেন হামজা। ১২ বছরের ব্যবধানে এমপি থেকে বেশ কয়েকটি দফতরের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর পৌছে গেছেন সরকার প্রধানের পদে।

নাইন ইলেভেন বদলে দিয়েছে হামজাকে

হামজা ইউসুফের পূর্ব পুরুষের ভিটা পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মিয়া চান্নু এলাকায়। সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন তার বাবা মুজাফফর ইউসুফ। হামজার দাদার সাথে তার বাবা ১৯৬০ এর দশকে পাকিস্তান থেকে স্কটল্যান্ড চলে যান উন্নত জীবনের আশায়। হামজার বাবা স্কটল্যান্ডে গিয়ে বিয়ে করেন কেনিয়া থেকে অভিবাসী হওয়া শায়েস্তা ভুট্টোকে। হামজার মায়ের জন্ম কেনিয়ায় হলেও তারও পূর্বপুরুষ ছিলেন পাঞ্জাবের। স্কটল্যান্ডের সবচেয়ে জনবহুল গ্লাসগো নগরীতে অভিবাসী বাবা-মায়ের সংসারে ১৯৮৫ সালে জন্ম নেন হামজা হারুন ইউসুফ।

গ্লাসগোতেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। স্থানীয় স্কুলে পড়াশোনার পর গ্লাসগো ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন রাজনীতি বিভাগে। ১৬ বছরের হামজা যখন উচ্চ মাধ্যমিকে পড়েন সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলার পর সহপাঠিদের কাছ থেকে মুসলিম হিসেবে বর্ণবাদী আচরণের শিকার হন তিনি।

যা হামজার জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে ভুমিকা রাখে। নিজেকে ইউরোপের মূল ধারার সাথে দ্রুত মানিয়ে নেয়ার তাগিদ অনুভব করেন হামজা। যা তাকে রাজনীতিতে আনতেও ভুমিক রাখে। এক সাক্ষাৎকারে নাইন ইলেভেন সম্পর্কে হামজা বলেছেন, ওই দিনটি যেমন বিশ্বকে বদলে দিয়েছে, তেমনি আমাকেও বদলাতে ভুমিকা রেখেছে।

মানুষের পাশে হামজা

ছাত্রজীবনেই হামজার সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় ফুটে ওঠে। গ্লাসগো ইউনিভার্সিটির মুসলিম স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন স্নাতকে পড়ার সময়। এছাড়া কমিউনিটিতে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃৃতিক ও দাতব্য কর্মকা-ের সাথে সম্পৃক্ততা ছিলো তার। দাতব্য সংস্থা ইসলামিক রিলিফের সাথে জড়িত ছিলেন দীর্ঘদিন। কাজ করেছেন কমিউনিটি রেডিওর স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে। উদ্বাস্তু ও অভিবাসীদের কল্যানে কাজ করে এমন সংগঠনের সাথেও সম্পৃক্ততা ছিলো তার।

রাজনীতি বিষয়ে স্নাতক শেষ করে ২০০৭ সালে মাস্টার্স করেন কলা বিভাগে। তার আগেই অবশ্য স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টিতে নাম লেখান এই তরুণ। দলটির তৎকালীন নেতাদের ইরাক যুদ্ধবিরোধী বক্তব্য তাকে উদ্বুদ্ধ করে। সেই বছর স্কটল্যান্ডের জাতীয় নির্বাচনে দলের হয়ে প্রচারণায় অংশ নেন। তার সাংগঠনিক দক্ষতা দ্রুতই তাকে নেতাদের চোখে সম্ভাবনাময় হিসেবে তুলে ধরে।

ওই বছরই প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করে এসএনপি। স্কটল্যান্ডের প্রথম মুসলিম এমপি বশির আহমেদের পার্লামেন্টারি অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন হামজা। বশির আহমেদের মৃত্যুর পর আরো কয়েকজন এমপির সাথে কাজ করেছেন হামজা। কিছুদিন কাজ করেছেন এসএনপির প্রধান কার্যালয়ের কমিউনিকেশন অফিসার হিসেবে। এসব অভিজ্ঞতা হামজাকে দ্রুততম সময়ে রাজনীতিতে সফল হতে সাহায্য করে।

রাজনীতিতে হামজা

২০১১ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রথমবারের মতো এসএনপি থেকে প্রার্থী হন ২৬ বছর বয়সী হামজা ইউসুফ। সেবার স্কটল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে এমপি নির্বাচিত হন তিনি। পরের বছরই পররাষ্ট্র দফতরের জুনিয়র মিনিস্টারের দায়িত্ব দেয়া হয় তাকে। ২০১৮ সালে এসএনপি দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করলে হামজাকে ক্যাবিনেট সেক্রেটারি বা পূর্ণমন্ত্রী করা হয়। দায়িত্ব পান বিচার মন্ত্রণালয়ের।

২০২১ সালে করোনা মহামারীর মধ্যেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান হামজা। এই সময়টা ছিলো তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোর একটি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে জনগনকে করোনা সংক্রমন থেকে সুরক্ষা দেয়া ও আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিষয়টি সহজ ছিলো না একজন তরুণ মন্ত্রীর জন্য। করোনা মোকাবেলায় স্কটিশ সরকারের তৎপরতা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়টা হামজার ওপরই চাপে। তিনি দৃঢ়তার সাথেই সব কিছু সামলে দায়িত্ব পালন করে যান।

করোনার পরে দেশটির হাসপাতালগুলোতে রোগীদের চিকিৎসার বিলম্ব নিয়েও কথা ওঠে। হাসপাতালে সিরিয়াল দীর্ঘ হওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েন হামজা। রোগীর বাড়িতে অ্যাম্বুলেন্স পৌছাতে বিলম্ব নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়। এক পর্যায়ে হামজা প্রতিরক্ষা দফতরের সহায়তা নিয়ে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে নিয়োজিত করেন অ্যাম্বুলেন্স সেবায়। যে কারণে স্কটিশ ন্যশনাল পার্টির নেতৃত্বের লড়াইয়ে তার জেতার সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন অনেকে।

যেভাবে ফার্স্ট মিনিস্টারের পদে

চলতি বছরের শুরুতে ফার্স্ট মিনিস্টার ও দলীয় প্রধান নিকোলা স্টারজিয়ন পদত্যাগের ঘোষণা দিলে নিজের প্রার্থীতা ঘোষণা করেন হামজা। এবং শেষ পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীদের ভোটে জিতে ইতিহাস গড়েন। স্কটল্যান্ডের রাজনীতিতে স্বাধীনতাপন্থী হিসেবে পরিচিত হামজা ইউসুফ। দলীয় প্রধান হওয়ার আগ থেকেই তিনি স্কটল্যান্ডকে স্বাধীনতা এনে দিতে চান বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

স্বাধীনতা আদায়ে বিদায়ী নেতা স্টার্জেনের কৌশলে বিশ্বাস করেন না ইউসুফ। তিনি বলেছেন, এভাবে অনন্তকাল ধরে স্বাধীনতা নিয়ে শুধু বিতর্ক করে গেলে কোনো কিছু অর্জন হবে না। ইউসুফ আরো বলেন, স্বাধীন স্কটল্যান্ড রাজতন্ত্র থেকে বেড়িয়ে আসবে। পাঁচ বছরের মধ্যে আমাদের উচিৎ রাজতন্ত্র থেকে বেড়িয়ে এসে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাচিত করা।

শিগগিরই তিনি স্বাধীনতার প্রশ্নে আরেকটি গণভোট আয়োজনের জন্য লন্ডনের সাথে আলোচনা শুরু করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই কাজের জন্য আগে নিজের দলকে ঐক্যবদ্ধ করাই হবে হামজার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

স্কটল্যান্ডকে স্বাধীনতা এনে দিতে চান হামজা

তবে হামজা বেশ আত্মবিশ্বসী এ বিষয়ে। তিনি বলেছেন, আমরাই সেই প্রজন্ম, যারা স্কটল্যান্ডকে স্বাধীন করবো। যদি স্কটিশরা তার আহ্বানে সাড়া দেয় তাহলে হয়তো আগামী দিনে স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে ভূখ-টি।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি মানতে পারেননি অনেক স্কটিশ নাগরিক। যে কারণে লন্ডনের শাসকদের ওপর তাদের ক্ষোভ রয়েছে। স্বাধীনতা ইস্যুতে এই বিষয়টি হামজার পক্ষে যেতে পারে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

শেকড়ের টান

ইউরোপে জন্ম নিলেও নিজের শেকড়কে ভুলে যাননি হামজা ইউসুফ। ইউরোপীয় সংস্কৃতিতে নিজেকে দ্রুত মানিয়ে নিলেও পাকিস্তানের সাথে তার সম্পর্ক ছিলো সব সময়। পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, মাঝে মধ্যেই আত্মীয়-স্বজনদের সাথে স্বাক্ষাতের জন্য পাকিস্তান যান হামজা। এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জুনিয়র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ইসলামাবাদের সাথে এডিনবার্গের সম্পর্ক জোরদার করতে ভুমিকা রেখেছেন। পাকিস্তানি শিক্ষার্থী ও অভিবাসীদের স্কটল্যান্ডে সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে তিনি অনেক ভুমিকা রেখেছেন।

যতবার এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছেন ইংরেজীর পাশাপাশি উর্দুতেও শপথ বাক্য পাঠ করেছেন হামজা। এছাড়া শপথ অনুষ্ঠানগুলোতে তার গায়ে দেখা যায় শেরওয়ানিসহ পাকিস্তানের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পোশাক। বুধবার ফার্স্ট মিনিস্টার হিসেবে শপথ গ্রহণের দিনও ঐতিহ্যবাহী পশ্চিমা স্যুটের বদলে তার গায়ে ছিলো কালো রংয়ের শেরওয়ানি। যার মাধ্যমে হামজা বারবার নিজের শেকড়কেই তুলে ধরছেন দুনিয়ার কাছে।

স্ত্রী, দুই কন্যা আর বাবা-মাকে নিয়ে হামজার সংসার। ধর্মভীরু পরিবারে বেড়ে ওঠার কারণে ব্যক্তিগত জীবনেও ইসলামিক অনুশাসন মেনে চলতে অভ্যস্ত তিনি।

সমকামী বিয়ে বিতর্ক

অবশ্য মন্ত্রী থাকার সময় সমকামী বিয়ের পক্ষে অবস্থান নেয়ায় অনেকে তার সমালোচনা করেন। যদিও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পশ্চিমা উদার সমাজব্যবস্থায় রাজনীতিক হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার জন্যই সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগনের নীতির প্রতি তিনি সমর্থন দিয়েছেন হামজা।

যার ফলে পশ্চিমাদের কাছে রাষ্ট্রনেতা হিসেবেও গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া সহজ হবে তার।

স্কটিশরা যে হামজাকে তাদের নেতা হিসেবে বুট হাউজে পাঠিয়েছে এর পেছনে হামজার এই গ্রহণযোগ্যতাই সবচেয়ে বড় কারণ। তাইতো এশীয় ও মুসলিম পরিচয় সত্ত্বেও আজকের অবস্থানে পৌছতে পেরেছেন তিনি।
এখন পশ্চিম ইউরোাপের প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রনেতা হিসেবে হামজা কতটা সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন, স্কটিশদের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারেন সেটাই দেখার অপেক্ষা।

৩১-০৩-২০২৩

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top