৯৬ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছে ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। কয়েক মাস আগেই তাঁর সিংহাসনে আরোহনের ৭০ বছর উদযাপন করা হয়েছিল। দীর্ঘ ৭ দশক ধরে এক সময়ের প্রতাপশালী ব্রিটিশ সম্রাজ্যের পতাকা বহন করেছেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। ১৯৫৩ সালে রাজমুকুট মাথায় পরেছিলেন যিনি। কয়েকশো বছরের ব্রিটিশ সম্রাজ্যের মাঝে সবচেয়ে বেশি দিন সিংহাসনে থাকার রেকর্ড তার দখলে। কানাডার স্বার্বভৌমত্ব দান, আফ্রিকায় ঔপনিবেশের অবসানসহ বিশ্ব রাজনীতির অনেক ঘটনাই ঘটেছে তার শাসনামলে। বলতে গেলে ব্রিটিশ সম্রাজ্যের সূর্য অস্তমিত হয়েছে যার চোখের সামনেই। জানবো রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের জীবনের নানা দিক সম্পর্কে।
রানী এলিজাবেথ কে
পরিবারের দেয়া নাম এলিজাবেথ আলেকজান্দ্রা মেরি উইন্ডসর। জন্ম ১৯২৬ সালের ২১ এপ্রিল। রাজা ষষ্ঠ জর্জ ছিলেন এলিজাবেথের বাবা। তবে তার জন্মের সময় ব্রিটিশ সিংহাসনে ছিলেন তার দাদা পঞ্চম জর্জ। পরবর্তীতে তার বাবা রাজা হন। আর রানী হন তার মা এলিজাবেথ, মেয়ের নামের সাথে মিল থাকায় যাকে বলা হতো দ্য কুইন মাদার। লন্ডরের ব্রুটন স্ট্রিটে দাদার বাড়িতেই জন্ম দ্বিতীয় এলিজাবেথের। মায়ের নাম থেকে এলিজাবেথ, দাদীর নাম থেকে মেরি ও দাদার মায়ের নাম থেকে অ্যালেকজান্দ্রা- শব্দ তিনটি নিয়ে তার নাম রাখ হয় এলিজাবেথ আলেকজান্দ্রা মেরি।
তবে দ্বিতীয় এলিজাবেথ নামেই তিনি পরিচিতি পান। অবশ্য পরিবারের লোকরা তাকে ডাকতো লিলিবেট নামে। খুব ছোট বেলায় এলিজাবেথ তার নাম উচ্চারণ করতে পারতেন না, কেউ নাম জিজ্ঞেস করলে বলতেন লিলিবেট। যে কারণে পরিবারের লোকেরা আদর করে তাকে এই নামেই ডাকতো।

শৈশবে দাদা পঞ্চম জর্জের সানিধ্যেই বেড়ে উঠেছেন এলিজাবেথ। ১৯৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন তার একমাত্র বোন প্রিন্সেস মার্গারেট। কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই এই দুই বোনের। মা ও গভার্নেস ম্যারিয়ন ক্রফোর্ডের তত্তাবধানে বাড়িতেই শিক্ষাগ্রহণ চলতে থাকে এলিজাবেথ ও তার ছোট বোনের। ইতিহাস, ভাষা, সাহিত্য ও সঙ্গীতের ওপর পড়ানো হয় দুজনকে।
শৈশবে ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধীকারীর সাড়িতে তিন নম্বরে থাকলেও এলিজাবেথ রানী হবেন সেটি কেউ ভাবেনি। কারণ তার বড় চাচা এডওয়ার্ড অষ্টম ছিলেন তখন সিংহাসনের এক নম্বর উত্তরাধিকারী।
স্বাভাবিকভাবেই চাচার পর তার ছেলে মেয়েদের কাছে যাওয়ার কথা রাজমুকুট। অবশ্য এডওয়ার্ড তখনো ছিলেন অবিবাহিত। ১৯৩৬ সালে এলিজাবেথের দাদা পঞ্চম জর্জের মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন চাচা এডওয়ার্ড; কিন্তু তৎকালীন আইন ভঙ্গ করে এক বিধবাকে বিবাহ করতে চাওয়ায় তাকে সিংহাসন ছাড়তে হয়। যার ফলে সিংহাসনে বসেন এলিজাবেথের বাবা ষষ্ঠ জর্জ। আর রাজার কোন পুত্র সন্তান না থাকায় এলিজাবেথ হন সিংহাসনের সম্ভাব্য উত্তরাধিকারী। সে সময়ের আইন অনুযায়ী সিংহাসনের উত্তরাধীকারী হওয়ার ক্ষেত্রে ছেলেদের অগ্রাধিকার দেয়া হতো। ফলে বাবার মতো এলিজাবেথও ভাগক্রমে রাজ মুকুটের মালিক হন।
রানী এলিজাবেথ সম্পর্কে
এলিজাবেথ যখন ১৩ বছরের, তখন তার সাথে পরিচয় হয় গ্রিস ও ডেনমার্কের প্রিন্স ফিলিপের সাথে। পারিবারিক সূত্রে গ্রিস ও ডেনমার্ক- দুই দেশেরই সিংহাসনের উত্তরাধিকারীর ছিলেন ফিলিপ। গ্রিসের রাজা প্রথম জর্জ ছিলেন তার ফিলিপের। প্রথম জর্জ নিজেই আবার ছিলেন ডেনমার্কের যুবরাজ। জর্জের বড় ভাই অর্থাৎ ফিলিপের দাদার ভাই অষ্টম ফেডারিক ১৯০৬ সালে ডেনমার্কের সিংহাসনে বসেন।
যে কারণে দুই দেশেরই সিংহাসনের উত্তরাধিকারী ছিলেন ফিলিপ। যদিও এলিজাবেথকে বিয়ে করতে গিয়ে তাকে এই দুই দেশের রাজকীয় পরিচয় বিসর্জন দিতে হয়েছে। মায়ের দিক থেকে ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাথে যে সম্পর্ক ছিলো সেই পরিচয়ে ফিলিপ হয়ে যান ব্রিটিশ নাগরিক। ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর হয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কৃতিত্বের পরিচয় দেন। পরিচয় থেকে প্রেম, ১৯৪৭ সালে তাদের বাগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়, যখন এলিজাবেথের বয়স ২১।
১৯৪৭ সালের ২০ নভেম্বর লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে বিয়ে সম্পন্ন হয় এই দম্পতির। পরের বছর এলিজাবেথের কোল জুড়ে আসেন প্রিন্স ফিলিপ। ১৯৫১ সাল থেকেই রাজার স্বাস্থ্য খারাপ থাকায় বিভিন্ন রাজকীয় দায়িত্ব পালন শুরু করেন এলিজাবেথ। এরপর ১৯৫২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জর্জের মৃত্যু হয়।
রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ
সে সময় এলিজাবেথ ছিলেন কেনিয়া সফরে। সেখানে বসেই পান বাবা ষষ্ঠ জর্জের মৃত্যু সংবাদ। এরপর কমওয়েলথ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন এলিজাবেথ। এসময় রীতি অনুাযায়ী তাকে একটি রাজকীয় নাম বেছে নিতে বলা হলেও তিনি এলিজাবেথ নামেই থাকতে চান। পরের বছর ২ জুন ব্রিটিশ রানী হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক অভিষেক হয়। তিনি হয়ে যান রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।
সেই থেকে আজো পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। ২০০২ সালে তার ক্ষমতাগ্রহণের সুবর্ণ জয়ন্তী পালিত হয়েছে। আর ব্রিটিশ রাজপরিবারের মধ্যে তার সিংহাসনে থাকার মেয়াদ সর্বোচ্চ। বিশ্ব ইতিহাসে নারী শাসক হিসেবে তিনি সবচেয়ে বেশি দিন সিংহাসনে ছিলেন।
সিংহাসন আরোহন করেছিলেন ২৭ বছর বয়সে, আর ২০২১ সালের ২১ এপ্রিল ৯৫তম জন্মদিন পালন করেছেন এলিজাবেথ। অবশ্য ৯৫তম জন্মদিনের দুই সপ্তাহ আগে মারা যান তার স্বামী প্রিন্স ফিলিপ। ফিলিপের বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর। আর তাদের দাম্পত্য জীবন ছিলো দীর্ঘ ৭৭ বছরের। চার সন্তান রয়েছে দ্বিতীয় এলিজাবেথের। প্রিন্স চার্লস, প্রিন্সেস অ্যানি, প্রিন্স এন্ড্রু ও প্রিন্স এডওয়ার্ড।
রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাজকীয় মুকুটটিতে বসানো আছে ২৮০০ হীরা। মুকুটের চূড়ায় রয়েছে কোহিনূর। কয়লাখনি থেকে উত্তোলনের পর কোহিনূর ৭৯৩ ক্যারেট ছিল। পরে তা কেটে ১০৫ ক্যারেট দিয়ে রানীর মাথার মুকুট তৈরি করা হয়। ১৯৩৭ সালে রাজা ষষ্ঠ জর্জের স্ত্রী রানী মাদার কোহিনূরটি পরেন। ১৯৫৩ সালে বর্তমান রানী এলিজাবেথ শাসনক্ষমতায় আসার পর থেকে দুর্লভ এই হীরাটি তার মুকুটের শোভা বাড়িয়েছে। এই মুকুটের আনুমানিক মূল্য ৪ বিলিয়ন ডলার।
রানী এলিজাবেথের ক্ষমতা
ব্রিটেনে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা থাকলেও দেশটিতে রয়েছে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র। যে রাজপরিবার বিশ্বের প্রায় অর্ধেকটা শাসন করেছে সেই পরিবারটির প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ ব্রিটিশরা তাদেরকে মাথায় তুলে রাখে। ব্রিটিশদের সেই গৌরবের অতীতটা এই পরিবারের হাত ধরেই এসেছে। আইন অনুযায়ী ব্রিটেনে রানীর মর্যাদা সবার উপরে। রাজপরিবারের সদস্যদের মর্যাদাও সাধারণ নাগরিকদের চেয়ে উর্ধে। সাধারণ মানুষ ব্রিটেনের রানীকে জনসমক্ষে ‘ইওর ম্যাজেস্টি’ ব্যতীত অন্য কিছু বলে সম্বোধন করতে পারে না।
শীর্ষ রাজনীতিকদের জন্যও রানীর সাথে হ্যান্ডশেক করা, কথা বলার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রোটোকল মেনে চলতে হয়। এছাড়া বিভিন্ন কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে রানীর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তবে মর্যাদা যাই হোক ব্রিটেনের শাসন ব্যবস্থায় রানীর ক্ষমতা প্রতীকী। অনেকটা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় প্রেসিডেন্টের ভুমিকার মতো।
রানীর সংরক্ষিত বেশ কিছু ক্ষমতার মাঝে একটি হলো, তিনি সংসদীয় অধিবেশন চালু ও বন্ধ করার অধিকার রাখেন। যেকোনো সময় রানী সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা এবং হাউজ অভ কমন্সের যেকোনো সদস্যকে বরখাস্ত করতে পারেন। পার্লামেন্টে প্রস্তাবিত কোন আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে তাতে রানীর স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। এছাড়া ব্রিটেনের সশস্ত্র বাহিনী কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। আনুষ্ঠানিক দায়িত্বপ্রাপ্তির আগে সামরিক বাহিনীর প্রত্যেক সদস্যকে বাধ্যতামূলকভাবে রানীর উদ্দেশে শপথ বাক্য পাঠ করতে হয়।
রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ পদাধিকার বলে ব্রিটেনের যেকোনো নাগরিককে রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করতে পারেন। স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম, বিজ্ঞান, গবেষণা, শিল্প-সাহিত্য ইত্যাদি সহ আরও নানা ক্যাটাগরিতে তিনি তার ব্যক্তিগত প্রজ্ঞা ও বিবেচনায় যোগ্য নাগরিকদের নাইটহুডসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত করতে পারেন।
এছাড়া আরো কিছু নিয়ম রয়েছে রানীর জন্য যেমন, রানী গাড়ি চালাতে পারেন ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই। তার দেশ ত্যাগের জন্য কোন পাসপোর্টেরও দরকার নেই। রানীকে কোন করও দিতে হয় না। রোমান ক্যাথলিক চার্চ থেকে পৃথক হয়ে চার্চ অব ইংল্যান্ড দেশটির রাষ্ট্রধর্ম- আর এই চার্চের প্রধান দ্বিতীয় এলিজাবেথ। আবার যেহেতু ব্রিটেনের যেকোনো আদালতের বিচারকার্য রানীর নামেই সম্পন্ন করা হয়, তাই রানীকে অভিযুক্ত করা বা সাক্ষী দিতে বাধ্য করার ক্ষমতা কারো নেই।
ব্রিটেন ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডাসহ ১৫টি দেশের রাষ্টপ্রধান দ্বিতীয় এলিজাবেথ। কমনওয়েলথ জোটের প্রধানও তিনি।
রানী এলিজাবেথের সম্পদ কত
রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের মোট সম্পদ কত সেটি নিয়ে কৌতুহল রয়েছে সবার। ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুসারে রানীর মোট সম্পদের আনুমানিক মূল্য ২৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। বিভিন্ন খাত থেকে তিনি বছরে পান ৫০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। রানীর তিনটি প্রধান আয়ের উৎস রয়েছে। একটি হচ্ছে ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে বাৎসরিক হারে পাওয়া সভরেইন গ্রান্ট। এছাড়া ডাচি অব ল্যাঙ্কাসটার এস্টেট এবং তার ব্যক্তিগত বিভিন্ন সম্পত্তি ও বিনিয়োগ।
২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ক্রাউন এস্টেট থেকে রানী পেয়েছেন প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার। যার পুরোটাই করমুক্ত। ক্রাউন এস্টেটের বেশির ভাগ সম্পত্তি মূলত লন্ডনে। এর বাইরে স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দান আয়ারল্যান্ডেও সম্পদ রয়েছে। রয়েছে ২ লাখ ৬৩ হাজার একর খামার, আবাসিক সম্পত্তি, বাণিজ্যিক কার্যালয়, দোকান, পার্কসহ বিভিন্ন স্থাপনার রাজস্ব। এই ক্রাউন এস্টেটের সব সম্পদ রানীর মালিকানাধীন। কিন্তু মালিকাধীন হলেও তিনি তা বিক্রি করতে পারবেন না। এই এস্টেটের সমস্ত লাভ জমা হয় সরকারি কোষাগারে। সেখান থেকে রাজপরিবারের অভিভাবক হিসেবে লাভের ২৫ শতাংশ পান রানী। এটাকেই সভরেইন গ্রান্ট বলা হয়।
রাজপরিবারের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা পরিশোধ, সম্পত্তি দেখাশোনা, বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ এবং আনুষঙ্গিক খাতে রানী এসব অর্থ খরচ করা হয়। রানীর বাৎসরিক বেতন ৯৭.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে তার বেতনের বেশির ভাগই খরচ হয় বাকিংহাম প্যালেসের রক্ষণাবেক্ষণের পেছনে।
রানীর আয়ের আরেকটি উৎস হলো রানীর মালিকানাধীন দ্য ডাচি অব ল্যাঙ্কাসটার। এর আওতাধীন মোট জায়গার পরিমাণ ৪৬ হাজার একর। এ থেকে বছরে আয় হয় প্রায় ২৫ মিলিয়ন ডলার। এই আয়ের টাকা দিয়ে রানী তার ব্যক্তিগত খরচ ও রাজপরিবারের ব্যয় নির্বাহ করেন। রাজপরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ব্যক্তিগত খরচও এই আয় থেকেই হয়ে থাকে।
এছাড়াও রয়েছে রানীর নিজস্ব বিনিয়োগ ও তার বাবা-মার কাছ থেকে পাওয়া সম্পত্তি। রাজকীয় স্ট্যাম্প সংগ্রহ, চিত্রকলা, অলংকার, গাড়ি, ঘোড়াসহ অন্যান্য অনেক কিছুর মালিক তিনি। এখান থেকেও তার বড় অংকের আয় হয়। রানীর বেশ কয়েকটি ঘোড়া নিয়মিত রেসে জিতে অর্থ উপার্জন করে। এছাড়াও রানীর কিছু প্রতীকী সম্পত্তি রয়েছে, যেমন ব্রিটেনের সমুদ্রসীমার সব তিমি ও ডলফিনের মালিক রানী। টেমস নদীর সবগুলো হাঁসও তার মালিকানাধীন।
২২-০৫-২০২১


