২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রার্থীতা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে ক্রমশ চাপ বাড়ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এর ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় বাইডেনের বয়স হবে ৮২ বছর। যে কারণে অনেকে মনে করছেন, ওই বয়সে তার পক্ষে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশটির প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব পালন করা কঠিন হবে।
গত কিছুদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে মার্কিন রাজনীতিতে। প্রেসিডেন্ট বাইডেন এখনো এ বিষয়ে স্পষ্ট কোন ঘোষণা দেননি। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম দ্য হিলের খবরে বলা হয়েছে, মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে প্রেসিডেন্টের ওপর চাপ বাড়ছে তার নিজ দলের ভেতর থেকে।
খবরে বলা হয়েছে, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টি যদি খারাপ ফলাফল করে তবে সেই চাপ আরো জোরালো হবে। ৮ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে। বর্তমানে পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা ডেমোক্র্যাটরা যদি এই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় তার দায় বর্তাবে জো বাইডেনের ওপর এবং তার ওপর চাপ বাড়বে পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থীতা থেকে সরে যেতে।
এ বিষয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অন্যতম নীতি নির্ধারক জিম ম্যানলে বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ফলাফল যাই হোক তার ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। দ্রুতই তাকে প্রার্থীতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে যদি এই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা খারাপ করে তাহলে বাইডেনকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দেয়ার বদলে বাদ দেয়ার দাবি উঠতে পারে বলে মনে করেন এই নেতা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অন্য সময়ে ডেমোক্র্যটারা যে মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারেনি তা নয়; কিন্তু জো বাইডেনের বয়সটাই এবার বেশি আলোচনায় আসছে। যে কারণে এবার হেরে গেল দায়টা তার ওপরই চাপানো হতে পারে।
ডেমোক্র্যাট দলের অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও তাকিয়ে আছেন জো বাইডেনের সিদ্ধান্তের দিকে। বাইডেন প্রার্থী না হলে তাদের মধ্যে শুরু হবে প্রার্থী বাছাইয়ের জোর প্রতিযোগীতা। সেক্ষেত্রে হোয়াইট হাউজে যাওয়ার দৌড়ে যারা নামবেন তারা এখন থেকে গ্রাউন্ডওয়ার্ক শুরু করতে চান।


