London

লন্ডন কোন দেশের রাজধানী

লন্ডন এক্সপ্রেস

লন্ডন। এক আকর্ষণীয় নগরীর নাম। বিশ্বের যেকোন প্রান্তের মানুষের কাছে লন্ডন মানেই উন্নত বিশ্বের প্রতিচ্ছবি। অর্থনীতি, শিল্প-সংস্কৃতিসহ বিশ্বের অনেক কিছুর কেন্দ্রবিন্দু এই লন্ডন। কেউ বা বলেন ইউরোপের রাজধানী। সব কিছু মিলে কেমন শহর লন্ডন? লন্ডন কোন দেশের রাজধানী  সেসবই জানতে চেষ্টা করবো এই লেখায়-

লন্ডন কোন দেশের রাজধানী

ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থান লন্ডন মহানগরীর। এটি একই সাথে ইংল্যান্ড ও ব্রিটেনের রাজধানী। অন্তত দুই হাজার বছর আগ থেকেই লন্ডন গুরুত্বপূর্ণ মানব বসতি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। আর সময় যত গড়িয়েছে ক্রমশই সমৃদ্ধ হয়েছে এই নগরী। খ্রিস্টিয় ৪৭ সালে এই নগরীরর গোড়াপত্তন হয়েছিল রোমান শাসকদের হাত ধরে।

তবে জায়গাটিতে মানব বসতি আরো বহু যুগ আগের বলে গবেষকদের ধারনা। ১৯৯৩ সালে লন্ডনে ব্রোঞ্জ যুগের একটি ব্রিজের সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতত্ববিদরা। এছাড়া খ্রিস্টপূর্ব ৪৮০০ সালের একটি কাঠের স্থাপনাও পাওয়া গেছে ২০১০ সালে।

লন্ডনের আয়তন ও জনসংখ্যা

লন্ডনের মোট আয়তন ১ হাজার ৫৭২ বর্গকিলোমিটার। যা ঢাকা নগরীর ৫ গুণেরও বড়। এই বিশাল নগরীতে বসবাস প্রায় ৯০ লাখ মানুষের। প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে প্রায় ১৫ হাজার লোক। বহু ভাষা ও সংস্কৃতির নগরী লন্ডন। বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ গোত্রের মানুষের মিলনমেলা এই নগরী। ৩০০’র বেশি ভাষাভাষী মানুষ রয়েছে এই নগরীতে।

এখানে বাস করে বিশ্বের সব প্রান্তের মানুষ। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী লন্ডনের বাসিন্দাদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ। প্রায় ২১ শতাংশ এশিয়ান, যাদের মাঝে ৬.৬ শতাংশ ভারতীয়। বাংলাদেশী ও পাকিস্তানিদের সংখ্যা প্রায় সমান- ২.৭ শতাংশ করে। চীনারা আছে ১.৫ শতাংশ, আরব ১.৩ শতাংশ। কৃষ্ণাঙ্গ আছ ১৫.৬ শতাংশ, যাদের মাঝে আফ্রিকান ৭ শতাংশ ও ৪.২ শতাংশ ক্যারিবীয়ান।

নগরীর কেন্দ্রস্থলে ২.৯ বর্গকিলোমিটারের একটি এলাকা সিটি অব লন্ডন নামে পরিচিত। এই জায়গাটি মূলত এই নগরীর পুরাতন শহর ও ব্যবসায় বাণিজ্যের কেন্দ্র। এই সিটি অব লন্ডন এবং টেমস নদীর দুই পাড়ের আরো ৩২টি ব্যুরো নিয়ে লন্ডনের প্রশাসনিক এলাকা।

লন্ডনের সাথে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য । লন্ডন টাইম

এই নগরীর স্থানীয় সময় আর গ্রিনিচ মান সময় একই। অর্থাৎ সময়ের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড গ্রিনিচ মান সময় বা জিএমটি আর লন্ডনের সময় একই। বাংলাদেশের স্থানীয় সময় থেকে এই সময় ৬ ঘণ্টা পিছিয়ে। অর্থাৎ বাংলাদেশে যখন সকাল হয়,তার ৬ ঘণ্টা পর সকাল হয় লন্ডনে। বাংলাদেশে যখন রাত ৯টা, লন্ডনে তখন বেলা ৩টা। আর নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় তখন সকাল ১১টা।

লন্ডনের মেয়র সাদিক খান

লন্ডনের প্রশাসনিক প্রধান মেয়র। এছাড়া রয়েছে ২৫ সদস্যের একটি অ্যাসেম্বিলি। নগরীটির বর্তমান মেয়রের নাম সাদিক খান। পাকিস্তানি বংশোদ্ভ’ত সাদিক খান দেশটির লেবার পার্টির সাবেক এমপি। পাকিস্তানি এক অভিবাসী বাস ড্রাইভারের পুত্র সাদিক খান ২০১৬ সালের নির্বাচনে জিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন লন্ডন নগরীর ইতিহাসের প্রথম এই মুসলিম মেয়র হিসেবে।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্র লন্ডন। বিশ্বের অনেকগুলো নামীদামি প্রতিষ্ঠানের হেড কোয়ার্টার এখানে। অনেকে লন্ডনকে বলেন বিশ্ব অর্থনীতির কমান্ড সেন্টার। ২০১৯ সালের এক হিসেবে দেখা গেছে, ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সম্পদের মালিক- ইউরোপের মধ্যে এমন ধনীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি লন্ডনে। আর মস্কোর পর এই নগরীটিতে বাসবাস দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক বিলিয়নিয়রের। যে কারণে অবশ্য লন্ডনে জীবনযাত্রার ব্যয় বেশি। সম্পত্তির দামও অনেক।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অনেকগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে এই নগরীতে। লন্ডন বিশ্বের একমাত্র নগরী যেটি তিন তিনবার আধুনিক অলিম্পিক গেমসের আয়োজক হয়েছে। এই লন্ডনে রয়েছে ক্রিকেটের তীর্থস্থান খ্যাত লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড ও ক্রিকেটের আইন কানুনের প্রবর্তক এমসিসি ক্লাব। আরেক বিখ্যাত ক্রিকেট ভেন্যু দ্য ওভালের অবস্থানও এখানে। এই নগরীতে রয়েছে আর্সেনাল, চেলসি, ফুলহাম, টটেনহাম হটস্পারের মতো অনেকগুলো নামীদামি ফুটবল ক্লাব। টেনিসের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্ট উইম্বলডন আয়োজিত হয় লন্ডনে। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে লন্ডনের চারটি সাইট।

লন্ডন কোন নদীর তীরে অবস্থিত

লন্ডনের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বিখ্যাত টেমস নদী। ৩৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ নদীটি ইংল্যান্ডের দীর্ঘতম নদী। অনেকেই বলেন লন্ডনের সৌন্দর্য দেখতে হলে নাকি যেতে হবে টেমস নদীর তীরে। কেউ এই নদীকে বলেন লন্ডনের হৃদপিণ্ড।

এই নদীটকে ঘিরেই মূলত গড়ে উঠেছে লন্ডনের আধুনিক সভ্যতা। রিভার ক্রুজে চড়ে এই নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করেন পর্যটকরা। এসব জাহাজের বিভিন্ন প্যাকেজ রয়েছে পর্যটকদের জন্য। সন্ধ্যার টেমস নদী আরো সুন্দর। তখন দুই পাড়ে জ্বলে ওঠে অসংখ্য রঙিন বাতি। সন্ধ্যায় টেমসের পাড়ে ভীড় জমে তাই দর্শনার্থীদের।

এই টেমস নদীর ওপরেই বিখ্যাত টাওয়ার ব্রিজ। এটি লন্ডনের সবচেয়ে বিখ্যাত আইকনিক স্থাপনা। কোন সিনেমা বা নাটকে লন্ডন শহর দেখাতে হলে এই ব্রিজটিকেই দেখানো হয় সবার আগে। ব্রিটেনের রাজকীয় আভিজাত্যের প্রতীক এই ব্রিজটির মাঝখানের দুটি পিলারের ওপর রয়েছ দুটি দৃষ্টিনন্দন টাওয়ার। ব্রিজটির মোট দৈর্ঘ ৮০১ ফুট।

মূলত কংক্রিট ও লোহার তেরি বক্স গার্ডার ব্রিজটি ১৮৮৬ থেকে ১৮৯৪ সালের মধ্যবর্তী সময়ে নির্মাণ করা হয়েছে। টাওয়ার ব্রিজের খুব কাছেই টেমস নদীর উত্তর পাড়ে রয়েছে টাওয়ার অব লন্ডন। ১১শ শতকের এই দুর্গটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত। এছাড়া তৃতীয় শতাব্দীতে নির্মিত একটি রোমান স্থাপনাও রয়েছে এখানে।

লন্ডনের ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা

লন্ডন তথা ব্রিটেনের মুদ্রার নাম পাউন্ড স্টালিং। সংক্ষেপে পাউন নামে পরিচিত। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্রিটিশ পাউন্ড নামে পরিচিত এই মুদ্রা।  ২০২৩ সালের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহের বিনিময় হার অনুযায়ী ১ ব্রিটিশ পাউন্ড সমান বাংলাদেশের ১২৮ টাকা ৬২ পয়সা। তবে লেনদেনের বিভিন্ন স্থান বা সময় ভেদে হার কমবেশি হতে পারে।

আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রিটিশ মুদ্রার মান মার্কিন ডলারের চেয়েও বেশি। ১ পাউন্ডের বিনিময়ে পাওয়া যায় ১.২২ মার্কিন ডলার।  ব্রিটেন যতদিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য ছিলো ততদিন দেশটিতে অফিশিয়াল মুদ্রা হিসেবে ইউরো প্রচলিত ছিলো। ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যায়। বহুল আলোচিত এই ঘটনাটি ব্রেক্সিট নামে পরিচিত।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের নাম কি

টেমস নদীর দক্ষিণ পাড়েই আরেক বিখ্যাত স্থাপনা লন্ডন আই। লন্ডনের যেকোনো দিক থেকে দেখা যায় এটি। চাকার মতো গোলাকার ও বেশ উচু রাইডটিতে উঠলে দেখা যায় পুরো লন্ডন নগরী। মোট ৩২টি ক্যাপসুলে প্রতিদিন প্রায় ১৫ হাজার পর্যটক এখানে উঠে পাখির দৃষ্টিতে দেখেন পুরো শহরটি। প্রতিটি ক্যাপসুল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। একটি ক্যাপসুলে একবারে ২৫ জন পর্যন্ত দর্শনার্থী বসতে পারেন। এর একেকটি ক্যাপসুলের ওজন ১০ টনের মতো।

লন্ডন আই থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বেই প্যালেস অব ওয়েস্ট মিনিস্টার। এটিই ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভবন। পার্লামেন্টের দুটি কক্ষ হাউজ অব কমন্স (নিম্নকক্ষ) ও হাউজ অব লর্ডসের (উচ্চকক্ষ) অধিবেশন বসে এখানেই। টেমস নদীর পাড়ের নান্দনিক স্থাপনাটি দর্শণার্থীদের মুগ্ধ করে। অনুমতি নিয়ে পার্লামেন্ট ভবনের আংশিক ভেতরে প্রবেশ করতে পারে দর্শনার্থীরা। এর ভেতরে রয়েছে বিশাল এক লন। রয়েছে বেশ কিছু ভাস্কর্য।

তবে পার্লামেন্ট অধিবেশনের সময় বেশ কড়াকড়ি থাকে। বর্তমান এই ভবটি নির্মিত হয়েছে ১৮৪০ থেকে ১৮৭৬ সালের মধ্যে। তবে এর আগে এখানে যে ভবন ছিলো সেটি নির্মিত হয়েছিল ১০১৬ খ্রিস্টাব্দে। শুরুতে ইতিহাসের দুর্দন্ড প্রতাপশালী ব্রিটিশ রাজ পরিবারের বাসভবন ছিলো এটি।

বিগ বেন

পার্লামেন্ট ভবনের উত্তর পাশেই অবস্থিত আরেক আইকনিক স্থাপনা বিগ বেন। বিগ বেন লন্ডনের অতিপরিচিত ও জনপ্রিয় স্থাপনা। অফিশিয়ালি এটির নাম ক্লক টাওয়ার হলেও বিগ বেন নামেই ডাকে সবাই। ২০১২ সালে ক্লক টাওয়ারের নামকরণ করা হয়েছে এলিজাবেথ টাওয়ার।

আসলে এর ভেতরে যে ৫টি ঘণ্টা রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বড় ঘণ্টাটির নাম বিগ বেন। যার ওজন ১৩ টন। ২০১৭ সাল থেকে সংস্কাররে জন্য বিগ বেনের ঘণ্টাধ্বনি বন্ধ রয়েছে। ৩১৬ ফুট উচ্চতার বিগ বেন টাওয়ারের নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৮৫৯ সালে।

লন্ডনের আরেক বিস্ময় এর জাদুঘরগুলো। অনেকগুলো জাদুঘর রয়েছে এই নগরীতে। এজন্য অনেকে লন্ডনকে জাদুঘরের নগরীও বলেন। এই তালিকায় সবার আগে নাম আসবে ব্রিটিশ মিউজিয়ামের। এই মিউজিয়ামটি স্থাপিত হয়েছে ১৭৫৩ সালে। মানব ইতিহাস, শিল্প, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রায় ৮০ লাখ সামগ্রী রয়েছে এখানে প্রদর্শনের জন্য। ২০১৯ সালে এই জাদুঘরটিতে দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ৬৩ লাখ।

জাদুঘর

এছাড়াও আছে ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম, সায়েন্স মিউজিয়াম, লন্ডন মিউজিয়াম, ইম্পেরিয়াল ওয়ার মিউজিয়াম। এসব মিউজিয়ামে বিশ্ব জগতের নানান বিষয়ের বিভিন্ন উপাদান সংরক্ষণ করা হয়েছে। লন্ডনের বেশির ভাগ জাদুঘরেই টিকিট ছাড়া প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তবে ব্রিটিশদের এই বিশাল সংগ্রহশালার বেশির ভাগই উপনিবেশিক যুগে বিভিন্ন দেশ থেকে আনা। কোথাও থেকে জোরপূর্বক, কোথাও থেকে চুরি করে কিংবা কোথাও থেকে নামমাত্র মূলে এসব অমূল্য সম্পদ আনা হয়েছে লন্ডনে।

ব্রিটিশ সম্রাজ্যের রাজধানীতে গিয়ে রাজপ্রাসাদ না দেখে ফিরতে চান না কোন পর্যটকই। তাই তো বাকিংহাম প্যালেসের সামনে দর্শনার্থীদের ভিড় লেগেই থাকে। এখনো টিকে আছে এমন রাজপ্রাসাদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় এটি। ওয়েস্ট মিনিস্টার এলাকার বিশাল এই প্রাসাদের সদর দরজা লাগানোই থাকে। বাইরে থেকে দেখা যায় ভেতরে বড় কালো টুপি আর লাল পোশাক পরা প্রহরীদের সশস্ত্র পাহারা।

বাকিংহাম প্যালেস

বাকিংহাম প্যালেসের প্রহরী পরিবর্তনের দৃশ্যটি বেশ উপভোগ্য। প্রাসাদের সামনে রয়েছে বিশাল বাগান। বাগানের মধ্যে মানুষ ও সিংহের ভাস্কর্য। শ্বেত পাথরের আরেকটি নজরকাড়া ভাস্কর্যও দেখা যাবে এখানে। এ ছাড়া এখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি স্থাপনা। ব্রিটেনের বিভিন্ন রাজকীয় ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা হয় বাকিংহাম প্যালেসে। এর ইতিহাস বহুপুরনো হলেও বর্তমান সাজসজ্জার বেশির ভাগই রানী ভিক্টোরিয়ার সময়ে করা। (টপিক : লন্ডন কোন দেশের রাজধানী )

শুধু লন্ডন নগরীতেই এত বেশি দর্শনীয় স্থান রয়েছে যে তা দেখতে কয়েকদিন লেগে যাবে। যে কারণে এই নগরীতে প্রতি বছর ঘুরতে আসেন অসংখ্য পর্যটক। ২০১৫ সালে বিশে^র বড় বড় নগরীগুলোর মাঝে পর্যটক আকর্ষণে সেরা ছিলো লন্ডন। ওই বছর লন্ডন আতিথিয়েতা দিয়েছে সাড়ে ছয় কোটি পর্যটককে।

লেখকের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন : আহমেদ

২২.০২.২০২১

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top