সিংহকে (Lion) বলা হয় পশুর রাজা। বিভিন্ন কারণে বিশ্বের বনাঞ্চল থেকে কমে আসছে এই প্রাণীটির সংখ্যা। সিংহকে হিংস্র প্রাণী হিসেবেই ধরা হয়। দিনের বেশির ভাগ সময় ঘুমিয়ে কাটানো প্রাণীটি সক্রিয় হয় রাতে। বিচরণ শেষে শিকার করে খেয়ে আবার বিশ্রামে যায়। এরা দল বেধে বাস করতে পছন্দ করে। সিংহ কোথায় বাস করে, কিভাবে শিকার করে, কেমন তার স্বভাব, কিভাবে বংশবৃদ্ধি করে এই লেখায় জানাবো সেসব বিষয়ে-
সাধারণত তৃণভূমিতে বসবাস করতে পছন্দ করে সিংহ। খুব ঘন নয় এমন বনের মাঝে ও পানির উৎসের কাছাকাছি তৃণভূমিতে বসবাস পছন্দ সিংহদের। গভীর জঙ্গলে সিংহের বসবাস কম।
এক সময় এশিয়া, ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগ এলাকা এবং পুরো আফ্রিকাজুড়েই সিংহ দেখা যেত; কিন্তু দিনে দিনে সেই সংখ্যা কমে এসেছে। এতটাই কমেছে যে প্রাণীটিকে বিপদাপন্ন প্রাণীর তালিকায় স্থান দেয়া হয়েছে।
সিংহ রাশি (Lion)
প্রকৃতির আরো অনেক প্রাণীর মতো সিংহদের ভাগ্যও বিপর্যস্ত। তারাও ক্রমশ হারিয়ে যেতে শুরু করেছে। বর্তমান সময়ে আফ্রিকার দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে সাহারা মরুভূমি অধ্যুষিত দেশগুলোর সংরক্ষিত বনাঞ্চলে সিংহ দেখা যায়। আফ্রিকার বাইরে ইউরোপের গ্রিস ও এশিয়ার ভারতে সিংহ আছে। ভারতের গুজরাটের গির বনাঞ্চলে ৬৫০টির মতো আছে সিংহ। আর আফ্রিকায় এই সংখ্যা ৩০ হাজারে নেমে এসেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা, মোজাম্বিক, কেনিয়া, সুদান, ইথিওপিয়া, বেনিন, বুরকিনা ফাসো, কঙ্গো, নাইজার সহ বিভিন্ন দেশের সংরক্ষিত বনাঞ্চলগুলোতে সিংহর দেখা মেলে।
আরো পড়ুন :

এক সময় দক্ষিণ আফ্রিকায় অনেক শাদা সিংহ থাকলেও এখন তারা বিলুপ্ত প্রায়। ১৯৭০ এর দশকেই শাদা সিংহরা প্রায় হারিয়ে গেছে প্রাণীকূল থেকে। তবুও দেশটির কয়েকটি ন্যাশনার পার্কে ২০০৭ থেকে ’১৫ সালের মধ্যে ৫টি প্রাইডে ১৭টি সাদা সিংহের জন্ম রেকর্ড করেছেন গবেষকরা। সাদা সিংহ বিলুপ্ত হওয়ার বড় কারণ শখ করে পালনের জন্য এগুলোকেই বাছাই করা হতো। এছাড়া অতীতে শিকারিদের পুরস্কারের ট্রফি হিসেবেও শাদা সিংহ দেয়ার রীতি ছিল। এসব কারণে সাদা সিংহ এখন বিলুপ্ত প্রায়।
সিংহের শারিরীক গঠন
সিংহ পেশীবহুল শরীর ও চওরা বুকের বিড়াল প্রজাতির এক প্রাণী, যার মাথা গোলকার, গলা ছোট এবং গোল কান হয়ে থাকে। সিংহের গায়ের রংয়ের মধ্যে বৈচিত্র আছে। হালকা ধূসর, রুপালি ধূসর, হলুদাভ ধূসর ও হলুদাভ লাল এবং গাঢ় ধূসর রংয়ের হয়ে থাকে। শরীরের নিচের অংশগুলোর রং উপরের অংশগুলোর চেয়ে হালকা হয়। নবজাতক সিংহের গায়ে গাঢ় কিছু দাগ থাকে।
পাসহ শরীরের নিচের অংশেও কিছু দাগ দেখা যায়। যৌবন আসার পর শরীর থেকে এই দাগগুলো হারিয়ে যায়। সিংহ-সিংহী উভয়েরই লম্বা লেজ থাকে। প্রাপ্তবয়স সিংহের লেজের গড় দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ২ ফুট। লেজের মাথায় কালো একগোছা চুল থাকে। জন্মের সময় এই গুচ্ছটি থাকে না, বয়স সাড়ে ৫ মাস হলে এটি হতে শুরু করে।
সিংহ হচ্ছে বিড়াল প্রজাতির একমাত্র প্রাণী যাদের মধ্যে জেন্ডার ভেদে প্রজনন অঙ্গ ছাড়াও অন্য শারীরিক ও আচরণগত পার্থক্য থাকে। সিংহীর তুলনায় সিংহের মাথা বড় হয়। আর থাকে কেশর। মাথা, গলা, কাধ ও বুকের অনেকটা অংশজুড়ে থাকে বড় বড় চুলের কেশর। সাধারণত ধূসর রংয়ের কেশরে হলুদ ও কালো চুলের মিশ্রন থাকে।

বাঘ সিংহের লড়াই
প্রাণী জগতে সিংহের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে একমাত্র বিবেচনা করা হয় বাঘকে। আবার দৈর্ঘ্য, ওজন, ও উচ্চতায় এটির সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে বাঘের সাথে। প্রাপ্তবয়স্ক সিংহের আকার, ওজন বিশ্বব্যাপী সর্বত্র একরম নয়।
আফ্রিকান সিংহরা অপেক্ষাকৃত বড় আকারের হয় এশীয় সিংহদের তুলনায়। প্রাপ্তবয়স্ক একটি সিংহ ৬ থেকে ৭ ফুট লম্বা হয়। সামনের দিকে উচ্চতা হয় ৪ ফুট, আর ওজন হয় ১৭০ থেকে ২৩০ কেজির মধ্যে। সিংহের তুলনায় সিংহীরা সব দিক থেকেই কিছুটা ছোট আকারের হয়।
সিংহের কেশর থাকে, সিংহীর থাকে না। কেশর সিংহের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সনাক্তকারী বৈশিষ্ট। সিংহের বয়স এক বছর হলে কেশর গজানো শুরু হয়। বয়স হওয়ার সাথে সাথে কেশরের রং পরিবর্তন হয় এবং অনেক বেশি গাঢ় রং ধারণ করে। গবেষকরা বলেন, আবহাওয়া কেশরের রং ও আকারের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। সিংহ যে অঞ্চলে বাস করে সেখানের চারপাশের আবহাওয়া ও গড় তাপমাত্রার কারণে কেশর বৈচিত্র পায়।
তাই দেখা যায়, ভারতীয় সিংহ ও আফ্রিকান সিংহের কেশরের আকার ও রংঙের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে। আফ্রিকার সিংহদের তুলনায় এশিয়ার সিংহরা পাতলা ও ছোট কেশরের অধিকারি হয়। এর কারণ মূলত আবহাওয়া। তবে শীত প্রধান ইউরোপ ও আমেরিকার চিড়িয়াখানগুলোতেও বড় কেশরের সিংহ দেখা যায়।
আবার বেনিনের পেন্দজারি ন্যাশনার পার্কের সিংহদের কেশর খুবই ছোট, এই অভয়ারণ্যের অনেক সিংহের এমনকি কেশর থাকেও না। এছাড়া সুদান, সেনেগাল ও কেনিয়াতেও কেশর ছাড়া সিংহ দেখা যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার তিমবাভাতির শাদা সিংহদেরও কেশর ছিল না।
সিংহের ডাক
কেশর দেখে সিংহের শক্তিমত্তা বোঝা যায়। দুইটি সিংহের মধ্যে যেটির কেশর বড়, বুঝতে হবে লড়াইয়ে বেশির ভাগ সময় সেটিই জিতবে। ঘনকালো কেশরওয়ালা সিংহের প্রজনন ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে বেশি হয়, যে কারণে এগুলো বংশবৃদ্ধিও করে বেশি। অনেক সময় অবশ্য কেশর জিনগত কারণেও ছোট-বড় কিংবা হালকা বা গাঢ় রংয়ের হয়ে থাকে।
কেশর দেখে সিংহের যৌন পরিপক্কতাও বেঝা যায়। একই রকমভাবে সুন্দর ও আকর্ষণীয় কেশরের অধিকারী সিংহরা সুস্বাস্থের অধিকারি হয়। পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার সেরেংগেতি ন্যাশনাল পার্কের গবেষকরা জানিয়েছেন, সেখানকার সিংহীরা সঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ঘন ও কালো কেশরওয়ালা সিংহকে অগ্রাধিকার দেয়।
সিংহ সাধারণত দলবেধে চলে। সিংহকে বলা হয় প্রাণী জগতের মধ্যে সবেচেয় সামাজিক প্রাণী। সঙ্গী ও বংশধরদের নিয়ে দল বেধে বাস করে এরা। সিংহের দলগুলোকে বলা হয় প্রাইড। শুধুমাত্র পুরুষ সিংহদেরও গ্রুপ হয় কখানো কখনো, সেগুলোকে গবেষকরা বলেন কোয়ালিশন। প্রাইডের শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব সিংহীদের।
এরা দলের কাছে কখনো অন্য সিংহীদের সহ্য করতে পারে না। একেকটি প্রাইডে গড়ে ১৫টি সিংহ-সিংহী থাকে। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪টি সিংহ, কয়েকটি সিংহী এবং তাদের সন্তানেরা থাকে। ব্যতিক্রমও আছে যেমন, আফ্রিকার সাভো প্রজাতির সিংহদের প্রাইডে একটি মাত্র পুরুষ সিংহ থাকে।
প্রাইডের সদস্য সংখ্যা কখনো ৩০টি পর্যন্ত হয়ে থাকে। এরা এতটাই সংঘবদ্ধ যে, বেশিরভাগ সময়ে প্রাইডের সদস্য সংখ্যা পরিবর্তন হয় শুধুমাত্র জন্ম ও মৃত্যুর মাধ্যমে। তবে কোন কোন প্রজাতির পুরুষ শাবকরা বড় হয়ে প্রাইড থেকে পৃথক হয়ে যায়। এরা হয় নতুন প্রাইড গঠন করে কিংবা যোগ দেয় অন্য কোন প্রাইডে। দল ছাড়া হয়ে একাকি কিংবা জোড়া বেধে বসবাসের প্রবণতাও আছে।
অলস প্রাণী সিংহ
এই প্রবণতা অবশ্য সিংহীদের মাঝেই বেশি। এই জোড়ার সাথে নতুন দলছুটরা এসে যুক্ত হয়ে হয়তো আবার গড়ে তোলে নতুন প্রাইড। আবার দলছুটরা কিছুদিন একাকি থেকে নিজের প্রাইডের কাছে ফিরে আসে এমনটাও দেখা গেছে। দল গঠন ও দলের সদস্য সংখ্যার দিক থেকেও আফ্রিকার সিংহদের সাথে এশিয়ার সিংহদের পার্থক্য রয়েছে।
প্রত্যেক প্রাইডের নিজস্ব অঞ্চল আছে। সিংহ কখনো তাদের অঞ্চলে অন্য মাংসাশী প্রাণী ঢোকা পছন্দ করে না। তাদের একটি অঞ্চল প্রায় ২৬০ বর্গকিলোমিটার হয়ে থাকে। পুরুষ সিংহরা খুব রাগী হয়। এরা প্রাইড অঞ্চল জুড়ে টহল দেয়। এলাকা রক্ষার্থে প্রয়োজনে সহিংস্র লড়াই করে। সিংহীরা সাধারণতা প্রাইডের কেন্দ্রস্থলের আশাপাশেই থাকে এবং বাচ্চাদের দেখাশোনা করে। সব সিংহই শিকারে অংশ নেয়, তবে কিছু আছে যারা বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। খুব গরমের দিনগুলোতে একটি বা দুটি পুরুষ সিংহ দাড়িয়ে থাকে, আর তার ছায়ায় প্রাইডের অন্যরা বিশ্রাম নেয়।
বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়ে বা বিশ্রামে কাটায় সিংহ। দিনের অন্তত ২০ ঘণ্টাই এরা নিস্ক্রিয় থাকে। তবে ঘুমিয়ে বা বিশ্রামে থাকলেও যে কোন সময় খুব দ্রুততার সাথে এরা সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সিংহ সক্রিয় হয়। শুরুতে নিজেদের মধ্যে সময় কাটায় বা আলোচনা করে এরপর মলত্যাগ করে বিচরণ শুরু করে।

কখনো কখনো ভোর পর্যন্ত দল বেধে বিচরণ করে এবং বিচরণের শেষ দিকে শিকার করে পেট ভরে তারপর আবার বিশ্রামে যায়। গবেষকরা বলেন, সিংহ দিনে গড়ে দুই ঘণ্টা হেটে বেড়ায়, আর পঞ্চাশ মিনিট সময় ব্যয় করে খাবার খেতে।
শিকারী সিংহ
সিংহ মাংসাশী প্রাণী। এরা বনের নিরীহ প্রাণীদের শিকার করে নিজেদের উদরপূর্তি করে। হরিন, বন্য গরু, মহিষ, জেব্রা, জিরাফ ইত্যাদি সিংহের শিকার তালিকায় প্রাধান্য পায়। একটি সিংহ একাই হরিন কিংবা গরুকে ঘায়েল করতে পারে।
বড় শিকার পেলে প্রাইডের সদস্যরা দল বেধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এমনটাও দেখা যায়, কয়েকশো গরু বা মহিষের পালের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে ৬-৭টি সিংহ। আর দলছুট শিকার পেলে তো কথাই নেই! তবে প্রাপ্ত বয়স্ক হাতি, গন্ডার, জলহস্তিদের থেকে দূরে থাকে সিংহরা। কখনো কখনো চিতা কিংবা হায়েনাও শিকার করে, যদিও এদের মাংস খুব কমই খায় সিংহ।
খুব কৌশলে শিকার করে এর। শিকারের সময় প্রত্যেকের দায়িত্ব ভাগ করা থাকে। কারা দুই পাশ দিয়ে দৌড়ে শিকারকে ঘিরে ফেলবে, কারা মাঝখান দিয়ে আক্রমণ করবে এগুলো আগে থেকে নির্দিষ্ট করা থাকে। অনেকটা ফুটবল মাঠের খেলোয়াড় বিন্যাসের মতো।
শরীরের তুলনায় হৃদপিন্ড ছোট হওয়ায় সিংহ খুব দূরের শিকারকে দৌড়ে ধরতে পারে না। তাদের আক্রমণ হয় কাছ থেকে, তবে খুব দ্রুত। শিকারকে দ্রুত কাবু করার জন্য গলায় বা মুখে কামড় দেয় এরা।
শিকার কখনো ঘটনা স্থলে কখনো বা নিজেদের আস্তানার কাছাকাছি টেনে এনে খায়। খাওয়া নিয়ে ঝগড়াও হয় কখনো। তবে বেশিরভাগ সময়ই প্রাইডের সবাই মিলেমিশে খায়। একটি সিংহের গড়ে প্রতিদিন ৭ কেজি আর সিংহীর ৫ কেজি পরিমাণ মাংস দরকার। বড় শিকার হলে একবারে খেয়ে শেষ করতে না পারলে কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে আবার খায়।
আরো পড়ুন :
রমজান কাদিরভ : চেচনিয়ার বেইমান
সিংহের বাচ্চা
চার বছর বয়সে সিংহী প্রজনন ক্ষমতা অর্জন করে। সে সময় একটি নির্দিষ্ট কিংবা একাধিক সিংহের সংস্পর্শে এসে সে গর্ভবতী হতে পারে। এর জন্য বছরের কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। গর্ভধারণের ১১০ দিন পর সিংহী ১ থেকে চারটি বাচ্চা প্রসব করে। এসময় তারা গুহায় অবস্থান করে।
সিংহের বাচ্চারা অন্ধ হয়ে জন্ম নেয়, জন্মের ৭ দিন পর চোখে আলো ফোটে। তিন সপ্তাহ বয়সে হাটতে শিখে শাবক। বাচ্চার বয়স ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ হলে তাদের নিয়ে প্রাইডের সাথে যোগ দেয় সিংহী। তিন মাস বয়স হলেই সিংহের আচরণে পরিপূর্ণতা আসে, যদিও এক বছর হওয়ার আগে তারা খুব একটা শিকার ধরতে যায় না।
বয়স দেড় বছর পার হলে সিংহ শিকারের জন্য পুরোপুরি তৈরি হয়ে যায়। সাধারণত ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত বাচে একটি সিংহ।
শ্রীলঙ্কার জাতীয় পতাকায় সিংহ কেন
প্রাণী জগতের মধ্যে সিংহই সবচেয়ে বেশি স্থান পেয়েছে ভাস্কর্য, পেইন্টিং কিংবা প্রতীক হিসেবে। এমনকি বেশ কয়েকটি দেশের জাতীয় পতাকায়ও এর স্থান আছে। সিনেমা, সাহিত্যেও সিংহের উপস্থিতি অনেক; কিন্তু এই বনের রাজাকে যথাযথ উপায়ে সংরক্ষণ করা হলে সেটি প্রাণী জগত থেকে হারিয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা করছেন প্রাণী বিজ্ঞানীরা।
শ্রীলঙ্কার পতাকায় সিংহের হাতে তলোয়ার ধরা একটি প্রতীক রয়েছে। সিংহ দ্বার সিংহলী জনগন ও তাদের সাহসীকতাকে বোঝানো হয়। তলোয়ারও মূলত সাহসীকতা, শক্তিমত্তা ও লড়াইয়ের প্রতীক। অর্থাৎ এই প্রতীক দ্বারা সাহসী জনগনকে বোঝানো হয়েছে।
১৩-০৯-২০২০
লেখকের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন : আহমেদ


