একই দিনে আইফোনের বহুল প্রতীক্ষিত ফিফটিন সিরিজের চারটি মডেলের মোবাইল হ্যান্ডসেট বাজারে এনেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল ইনকর্পোরেশন। আইফোন ফিফটিন, ফিফটিন প্লাস, ফিফটিন প্রো এবং প্রো ম্যাক্স বাজারে এসেছে মঙ্গলবার। আইফোন ১৫
স্টিভ জবসের প্রতিষ্ঠিত অ্যাপল ইনকর্পোরেশন শুরু থেকেই মোবাইল ফোনের জগতে নতুন নতুন বিস্ময় উপহার দিয়ে যাচ্ছে। অনেক দিন ধরে কোম্পানিটি বলে আসছিলো ফিফটিন সিরিজের ফোনগুলো বাজারে আনার। অবশেষে অপেক্ষার অবসান হয়েছে।
নতুন নতুন সব ফিচার নিয়ে এ ফোনগুলো দর্শকদের আইফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাবে বলে বিশ্বাস কোম্পানির। নতুন হ্যান্ডসেটগুলোতে নতুন ফিচারের পাশাপাশি ডিজাইনেও আনা হয়েছে নতুনত্ব।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত অ্যাপল পার্কে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাতে আইফোন ফিফটিন সিরিজের পাশাপাশি অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ নাই, অ্যাপল ওয়াচ আল্ট্রা টু, আইওএস সেভেনটিন এবং ওয়াচ ওএস টেন উন্মোচন করা হয়।
আইফোনের নতুন এই মডেলে বহুল জনপ্রিয় টাইপ ‘সি’ চার্জার ব্যবহার করা যাবে। এই সিরিজের হ্যান্ডসেটগুলোর সাইডবারে স্টেইনলেস স্টিলের বদলে টাইটানিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়েছে। স্ক্রিনের চারপাশেও রয়েছে টাইটানিয়ামের বর্ডার।

সবগুলোতেই রয়েছে ফোরটি-এইট মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। প্রো ম্যাক্সে আছে ফাইভ এক্স অপটিক্যাল জুম সুবিধা। অ্যাপল জানিয়েছে শতভাগ রিসাইকেল করা কোবাল্ট দিয়ে ফোনগুলোর ব্যাটারি তৈরি করা হয়েছে।
চারটি ফোনের দাম ধরা হয়েছে যথাক্রমে ৭৯৯, ৮৯৯, ৯৯৯ ও ১১৯৯ মার্কিন ডলার।
অর্থাৎ এই সিরিজের সবচেয়ে কমদামী হ্যান্ডসেটটি কিনতে হলেও আপনাকে খরচ করতে হবে বাংলাদেশী টাকায় ৮৭ হাজার টাকার বেশি।
আইফোন ফিফটিন সিরিজে থাকছে এ-১৭ বায়োনিক চিপসেট। হ্যান্ডসেটের কাভারের ডিজাইনেও এসেছে পরিবর্তন।
আইফোন
প্রযুক্তিপ্রেমী যেকোন মানুষের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বস্তুগুলোর তালিকা করলে আইফোনের নামটি উপরের দিকেই থাকবে। আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছে তো এটি রীতিমতো লোভনীয় এক বস্তু। আইফোনের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম অ্যাপল ইনকর্পোরেশন। প্রযুক্তি পণ্যের বাজারে বিপ্লব সৃষ্টিকারী যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটির নেপথ্যের কারিগর স্টিভ জবস।
যে কারণে ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি আয় করেছে ২৭৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সে হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি কোম্পানি এবং বিশ্বের মোস্ট ভ্যালুয়েবল কোম্পানির তালিকায় অন্যতম।
আইফোনের জন্য কোম্পানিটি বিশ্ব ব্যাপী বেশি পরিচিত হলেও অ্যাপলের যাত্রা শুরু হয়েছিল মূলত পারসোনাল কম্পিউটার দিয়ে। যেটিকে সংক্ষেপে ম্যাক পিসি নামেই ডাকা হয়।
এছাড়াও অ্যাপলের অন্যান্য পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ট্যাবলেট কম্পিউটার আইপ্যাড, পোর্টেবল মিডিয়া প্লেয়ার আইপড, স্মার্ট ওয়াচ, ডিজিটাল মিডিয়াপ্লেয়ার অ্যাপল টিভিসহ আরো কিছু পণ্য। ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এক হিসেবে দেখা গেছে, সারা বিশ্বের সক্রিয় অ্যাপল প্রোডাক্টের সংখ্যা ১৫০ কোটি।
আরো পড়ুন :


