ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ভারসাম্যের নীতি গ্রহণ করেছে তুরস্ক। যে কারণে তারা রাশিয়ার ওপর অবরোধ আরোপ করেনি। এমন মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্রা ইব্রাহিম কালিন। তিনি বলেছেন, তুরস্কের কাছে সবার আগে জাতীয় স্বার্থ।
একটি টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র বলেন, তুরস্ক নিজেদের অর্থনীতির কথা চিন্তা করেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেয়নি।
ইব্রাহিম কালিন বলেন, আমরা জ্বালানীর জন্য বিদেশী উৎসের ওপর নির্ভরশীল, যে কারণে রাশিয়া কিংবা ইরানের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করেছি। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সাথেও আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, রাশিয়ার ওপর অবরোধ দিলে তাতে রাশিয়ার চেয়ে তুরস্কের ক্ষতিই বেশি হবে। আর সবার আগে আমাদের দেশের স্বার্থই রক্ষা করতে হবে।
এই কারণে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে তুরস্ক একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোও ভূরাজনৈতিক কারণে তুরস্কের অবস্থান নিয়ে আপত্তি করছে না। পাশাপাশি রাশিয়ার ব্যবসায়ীদের ওপর ব্যক্তিগত নিষেধাজ্ঞা দেয়ার বিষয়টি আঙ্কারা সমর্থন করছে না বলেও তিনি জানান।
তুরস্কের এই কর্মকর্তা বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানকে আগ্রাসন হিসেবে দেখে তুরস্ক এবং স্পষ্টভাবেই এর বিরুদ্ধে কথা বলে। পাশাপাশি শান্তি স্থাপনে উভয় পক্ষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছে আঙ্কারা।
ইব্রাহিম কালিন বলেন, দুই পক্ষকে কাছাকাছি আনতে আমাদের মতো এত চেষ্টা আর কোন দেশ করেনি। যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও সহযোগিতার সম্পর্ক কিভাবে ধরে রাখা যায়- এটি তার বড় উদাহরণ।


