ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত দেশ : ইউরোপ মহাদেশের উল্লেখযোগ্য দেশগুলোর সংস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ২৭ দেশের এই সংস্থা মূলত ইউরোপের সমন্বিত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নীতি নির্ধারনী জোট। বিশ্বের অন্যান্য মহাদেশভিত্তিক জোটগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিছক আনুষ্ঠানিক; কিন্তু ইইউ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সবচেয়ে সক্রিয় ও কার্যকর একটি জোট। ইউরোপের অর্থনৈতিক, সামরিক, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত আসে এই জোট থেকে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইতিহাস, কার্যপরিধিসহ সংস্থাটির বিভিন্ন তথ্য নিয়ে আমাদের এই লেখা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ মহাদেশের দেশগুলোর সম্পর্কে নতুন মেরুকরণের সৃষ্টি হয়। জাতীয়তাবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। শুরু হয় অর্থনৈতিক, কূটনৈতিকসহ বিভিন্ন সঙ্কট। এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কেউ কেউ একাত্মতার গুরুত্ব অনুভব করেন।
১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ইউনিভার্সিটিতে এক বক্তৃতায় ইউনাইটেড স্টেটস অব ইউরোপ বা ইউরোপীয় ঐক্যের বিষয়টি উপস্থাপন করেন। ১৯৪৮ সালের হেগ সম্মেলন ছিল ইউরোপীয় ফেডারেল ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ যা কিনা পরবর্তীতে ইউরোপীয় আন্তর্জাতিক আন্দোলন ও ইউরোপীয় কলেজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারই ধারবাহিকতায় ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কাউন্সিল অব ইউরোপ।
আরো পড়ুন :
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য
তবে এই সংগঠনটির অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট না হয়ে দুই বছর পর ছয়টি দেশ মিলে গঠন করে ইউরোপীয়ান কোল এন্ড স্টিল কমিউনিটি। এই সংগঠনটির লক্ষ্য ছিল ভারী শিল্প কারখানাগুলো পুরো ইউরোপময় ছড়িয়ে নিজেদের মাঝে সম্পর্ক উন্নয়ন করা। এরপর ১৯৫৭ সালে পশ্চিম ইউরোপের ৬টি দেশের রোম চুক্তির ফলে গঠিত হয় ইউরোপীয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি।
এই ছয়টি দেশ ছিলো বেলজিয়াম, ফ্রান্স, ইতালি, পশ্চিম জার্মানি, লুক্সেমবুর্গ ও নেদারল্যান্ড। একই দিন গঠিত হয় ইউরোপীয়ান অ্যাটমিক এনার্জি কমিউনিটি। এই তিনটি জোটকে এক প্ল্যাটফর্মে এনে ১৯৬৭ সালে নাম দেয়া হয় ইউরোপীয়ান কমিউনিটি।
১৯৭৩ সালে ইউরোপীয় কমিউনিটির সাথে যোগ দেয় ব্রিটেন, আয়ারল্যান্ড ও ডেনমার্ক। ১৯৭৯ সালে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে প্রথম সরাসরি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৮১ সালে গ্রিস যোগ দেয়, ১৯৮৬ সালে যোগ দেয় পর্তুগাল ও স্পেন। ১৯৮৫ সালে শেনজেন চুক্তির মাধ্যমে সদস্য ও ইউরোপের অন্য কয়েকটি রাষ্ট্রের মধ্যে পাসপোর্টবিহীন সীমান্ত ধারণা তৈরি হয়।
১৯৮৬ সালে ইউরোপীয় পতাকা ও একক আইন চালু হয়। আর ১৯৯৩ সালের পহেলা নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নামটি চালু হয় এবং জোটের একক মুদ্রা ইউরো প্রচলন করা হয়। তাই এ দিনটিকেই ইইউ’র সূচনা হিসেবে ধরা হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি
১৯৯৫ সালে অষ্ট্রিয়া, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেয়। ২০০৪ সালে যোগ দেয় সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, এস্তোনিয়া, হাঙ্গেরি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মালটা, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও স্লোভেনিয়া। ২০০৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য পদ পায় রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া। সর্বশেষ ২৮তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত হয়েছে ক্রোয়েশিয়া। তবে ব্রিটেন বেড়িয়ে যাওয়ায় বর্তমান সদস্য সংখ্যা ২৭।
২০০৭ সালে ইউরোপীয় জোটের সবগুলো চুক্তিকে সংযোজন-পরিমার্জন করে লিসবন চুক্তি করা হয়। এই চুক্তিতেই প্রথমবারের তো ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতিমালায় যুক্ত করা হয় বহুল আলোচিত আর্টিকেল ফিফটি বা ৫০তম ধারা। এই ধারায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে স্বেচ্ছায় ইইউ ত্যাগ করার স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। এবং এই সুযোগটি নিয়েই ব্রিটেন ২০২০ সালে বেড়িয়ে গেছে এই জোট থেকে।
অবশ্য এর অনেক আগেই সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধের কারণে ডেনমার্কের স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড ১৯৮৫ সালে বেড়িয়ে গেছে ইইউ থেকে।
অন্যদিকে ১৯৮৭ সালে সদস্য হওয়ার আবেদন করেও এখনো এই জোটে যুক্ত হতে পারেনি তুরস্ক। ১৯৯৯ সালে তুরস্ককে সদস্যপদ প্রার্থী রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জোটটি, কিন্তু এরপর দুই দশক কেটে গেলেও মুসলিম প্রধান দেশটি ঢুকতে পারেনি ইউরোপীয় ইউনিয়নে। তুরস্কের অভিযোগ বিভিন্ন শর্ত পূরণ করলেও ইউরোপীয় দেশগুলো আঙ্কারার প্রতি অবিচার করছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মস্কোর সাথে আঙ্কারার সম্পর্ক উন্নয়নের ফলে তুরস্কের এই জোটে ঢোকার সম্ভাবনা আরো কমে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। নরওয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হতে চাইলেও দেশটির জনগন গণভোটে সম্মতি দেয়নি বলে তারা যোগ দেয়নি। এছাড়া ইউরোপের উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্রগুলোর মাঝে সুইজারল্যান্ড, ইউক্রেন, রাশিয়া এই সংস্থার সদস্য নয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ পাওয়ার জন্য ইউরোপ মহাদেশের দেশগুলোর যেসব যোগ্যতা অর্জন করতে হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, সন্তোষজনক মানবাধিকার পরিস্থিতি, আইনের শাসন ও বাজার অর্থনীতি।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর কোথায়
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় রয়েছে সংস্থাটির অধীনস্ত সাতটি ইনস্টিটিউশন। এগুলো হচ্ছে ইউরোপীয়ান কাউন্সিল, ইউরোপীয়ান কমিশন, ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট, কাউন্সিল অব দ্য ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন, কোর্ট অব জাস্টিজ অব দ্য ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন, ইউরোপীয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক ও ইউরোপীয়ান কোর্ট অব অডিটরস।
সংস্থাটির সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক হচ্ছে ইইউ কাউন্সিল। যে কোন রাজনৈতিক নির্দেশনা বা সিদ্ধান্ত আসে এই ইনস্টিটিউশন থেকে। সাধারণত বছরে চারবার বসে কাউন্সিলের অধিবেশন। কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের সভাপতিত্বে সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানরা মিলিত হন এই অধিবেশনে।
আর থাকেন ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান। ইইউ কাউন্সিলকে বলা হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ। কাউন্সিলের অধিবেশনেই মূলত ইউরোপের কৌশলগত নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্তগুলো নেয়া হয়ে থাকে। এই ইনস্টিটিউশনের সদর দফতর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান প্রেসিডেন্ট
সরাসরি ইউরোপীয় ইউনিয়নে কোন প্রেসিডেন্ট হয় না। তবে এই সংস্থার যে বিভিন্ন দফতর রয়েছে যেমন ইউরোপীয়ান কাউন্সিল, ইউরোপীয়ান কমিশন, ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট- এগুলোর আলাদা প্রেসিডেন্ট রয়েছেন। ইউরোপীয়ান কাউন্সিল হচ্ছে এই জোটের সবচেয়ে ক্ষমতাধর বিভাগ তাই এর প্রেসিডেন্টকেই ইইউ প্রেসিডেন্ট বলা হয়।
বর্তমানে ইউরোপীয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে তিনি দায়িত্বে আছেন। মিশেল বেলজিয়ামের নাগরিক। এর আগে তিনি বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।
ইউরোপীয় কমিশন ও ইউরোপীয় পার্লামেন্ট
ইইউ’র নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকে ইউরোপীয়ান কমিশন। সংস্থার দৈনন্দিন কার্যক্রমও পরিচালনা করে এটি। নতুন কোন চুক্তি করা এবং চুক্তির বাস্তবায়ন তদারকি করে কমিশন। এছাড়া নতুন কোন বিষয়কে সদস্যদের সামনে বিতর্কের জন্য উপস্থাপনের ক্ষমতাও কমিশনের হাতে। কমিশনের প্রেসিডেন্টকে নিয়োগ দেয় ইইউ কাউন্সিল। এছাড়া প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র থেকে একজন প্রতিনিধি থাকেন কমিশনে।
ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের সদস্য সংখ্যা ৭০৫ জন, যাদের ৫ বছর মেয়াদের জন্য সরাসরি ভোটে নির্বাচিত করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা। প্রতিটি দেশের জনসংখ্যা ও ভৌগলিক আয়তনের ওপর ভিত্তি করে পার্লামেন্টের আসন সংখ্যা নির্ধারিত রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ৯৬টি আসন রয়েছে জার্মানিতে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৯টি ফ্রান্সে। আর সবচেয়ে কম ৬টি করে রয়েছে লুক্সেমবুর্গ, মাল্টা ও সাইপ্রাসে। কমিশনের প্রস্তাবিত আইনগুলো বিতর্কের পর অনুমোদন দেয়া বা বাতিল করার অধিকার পার্লামেন্টের। ইইউ পার্লামেন্ট ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গ শহরে অবস্থিত।
কাউন্সিল অব ইউরোপীয়ান ইউনিয়নকে বলা হয় কাউন্সিল অব মিনিস্টারস। সদস্য দেশগুলো মন্ত্রী পর্যায়ের একজন করে প্রতিনিধি এই কাউন্সিলের সদস্য থাকেন। সংস্থার আইন প্রণয়নে ভুমিকা রাখেন তারা। আর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মাঝে আইনি ঝামেলাগুলো মীমাংসার দায়িত্ব কোর্ট অব জাস্টিজ অব দ্য ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন-এর। এছাড়া ইইউ’র ইনস্টিটিউশনগুলোর মধ্যকার কোন ঝামেলা কিংবা আইনের যে কোন ব্যাখা দেয়ার চূড়ান্ত অধিকার এই আদালতের। এটির সদর দফতর লুক্সেমবুর্গে।
ইউরোপের সমন্বীত মুদ্রানীতি নিয়ন্ত্রণ করে ইউরোপীয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক। আর কোর্ট অব অডিটর্সের কাজ সংস্থাটির বাজেটের অর্থ যথাযথ উপায়ে খরচ হচ্ছে কিনা তা তদরারিক করা।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্দেশ্য কি
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কাজগুলোর একটি হচ্ছে ইউরোপের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা। সংস্থাটি ইউরোপ জুড়ে একটি কমন মার্কেট তৈরি করেছে এবং একই ধরণের কাস্টমস নীতি ও ট্যাক্স নীতি প্রণয়ন করেছে।
আবার বাইরের বিশে^র সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপনে যাতে সদস্য দেশগুলোর সুবিধা একই রকম থাকে সেটিও তদারকি করে ইইউ। বাইরের সাথে ইউরোপের হয়ে দরকষাকষিও করে সংস্থাটি। বিনিয়োগসহ বাণিজ্যের অন্যান্য সেক্টরেও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য অভিন্ন নীতি রয়েছে এখানে।
আবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নাগরিকরা ২৭টি দেশের যে কোন স্থানে অবাধে ভ্রমণ, বসবাস, চাকুরির সুবিধা পেয়ে থাকে। বহির্বিশে^র যে কোন মানুষের চেয়ে তারা এই অঞ্চলে অনেক বেশি সুবিধা ভোগ করে।
ইতিহাস যাই হোক বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পরিচিতি পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় রাশিয়া বিরোধী ইউরোপীয় দেশগুলোর জোট হিসেবে। অনেক দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র আর রাশিয়ার মাঝে যে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই চলছে, তাতে ইউরোপ পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে। বিশে^র অন্যান্য প্রান্তেও ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হয়ে ভুমিকা রাখছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য
২০২০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভূক্ত দেশগুলোর মোট জনসংখ্যা প্রায় ৪৪৭ মিলিয়ন বা ৪৪ কোটি ৭০ লাখ, যা বিশে^র মোট জনসংখ্যার ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। ২৭ দেশের এই সংস্থার রয়েছে ২৪টি অফিশিয়াল ভাষ। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে লুক্সেমবুর্গিশ ও সাইপ্রাসের তুর্কি ভাষা নেই অফিশিয়াল ভাষার তালিকায়।
যে কোন গুরুত্বপূর্ণ নথি এই ২৪ ভাষায় তৈরি করা হয়। তবে অফিশিয়াল ভাষা বেশি হওয়ার কারণে ইউরোপী ইউনিয়নের ইনস্টিটিউশনগুলো একটি-দুটি নির্দিষ্ট ভাষায় দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে। যেমন ইউরোপীয়ান কমিশন নিয়মিত ব্যবহার করে ইংরেজী, ফরাসি ও জার্মান ভাষা। ইইউ কোর্ট অব জাস্টিসের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হয় শুধুমাত্র ফরাসি ভাষায়। ইউরোপীয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের কার্যক্রম চলে ইংরেজীতে।
ইউভূক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭২ শতাংশ খ্রিস্টান। ২৪ শতাংশ ধর্মহীন। মুসলিম রয়েছে ১ দশমিক ৮ শতাংশ।
লেখকের ফেসবুক পেজে যুক্ত হতে লাইক দিন : আহমেদ
০৩-০৬-২০২১


