ফিলিস্তিনিদের কাছে আল-কুদস ও ইসরাইলিদের কাছে জেরুসালাইয়েম নামে পরিচিত নগরীটি বিশ্বের প্রাচীনতম নগরীগুলোর একটি। বারবার এটি দখল, পুর্নদখল, ধ্বংস, পুর্ননির্মাণ করা হয়েছে। জেরুজালেমের আয়তন ১২৫ বর্গকিলোমিটার। ২০১৭ সালের এক হিসেবে দেখা গেছে, এখানে মোট জনসংখ্যা সাড়ে ৯ লাখের কিছু বেশি। যাদের মধ্যে ৬১ শতাংশ ইহুদি, প্রায় ৩৮ শতাংশ আরব, আর কিছু আছে অন্যান্য জাতিগোষ্ঠির লোক। অনেকে এই নগরীকে বলেন জেরুসালেম। জেরুজালেম কে পবিত্র নগরী বলা হয় কেন সে বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ রয়েছে এই লেখায়-
জেরুজালেম কেন বিখ্যাত
নগরীটি বর্তমানে ইসরাইল জোরপূর্বক দখল রাখলেও আন্তর্জাতিক ভাবে এটি নিরপেক্ষ এলাকা হিসেবে স্বীকৃত। কাগজে কলমে এটি ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করা হলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি পায়নি সেটি। ২০১৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তেলআবিব থেকে দূতাবাস স্থানান্তরের বিলে স্বাক্ষর করেন। ১৯৯৫ সালেই মার্কিন পার্লামেন্টে পাস হয়েছে জেরুসালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের বিলটি; কিন্তু কোন প্রেসিডেন্ট সেই ঝুঁকিটি নেননি।
তারা বিলটি বিলম্বিত করার জন্য প্রতি ছয়মাস পরপর একটি অস্থায়ী আদেশ দিতেন। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর একবার এই আদেশে স্বাক্ষরও করেছেন; কিন্তু দ্বিতীয় দফায় তিনি দূতাবাস জেরুসালেমে নেয়ার আদেশে সই করেন।
এই প্রতিবেদনের ভিডিও দেখুন
জেরুসালেমের পুরাতন অংশের চারভাগে রয়েছে খিস্টান, মুসলিম, ইহুদি ও আর্মেনীয় সভ্যতার ঐতিহাসিক কিছু স্থাপত্য। দুর্গের মতো পাথরের দেয়াল দিয়ে ঘেরা এলাকাটির আয়তন শূন্য দশমিক ৯ বর্গকিলোমিটার। মূলত এই পুরাতন জেরুসালেম অংশটিই এই নগরীর সব ঘটনা প্রবাহের নেপথ্যে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কিছু ধর্মীয় পবিত্র স্থান রয়েছে এখানে। চার ভাগের মধ্যে দুটি ভাগ খ্রিস্টানদের কাছে পবিত্র, কারণ আর্মেনীয়রাও ছিলো খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী।
অন্য দুটির একটি মুসলিমদের আল আকসা মসজিদ, অন্যটি ইহুদিদের দ্য ওয়াল। আর এই ধর্মীয় স্থানপনাযুক্ত স্থানগুলোর কারণে জেরুসালেমের প্রতি আগ্রহ সবার। ইসরাইলি ইহুদিরা এটির দখলে নিতে এখান থেকে উচ্ছেদ করেছে ফিলিস্তিনিদের।
জেরুজালেমকে পবিত্র নগরী বলা হয় কেন
পুরাতন জেরুসালেমের চার অংশের মধ্যে সবচেয়ে বড় মুসলিমদের অংশটি। এখানে অবস্থিত মুসলিমদের প্রথম কেবলা আল আকসা মসজিদ। আর রয়েছে পাথরের গম্ভুজ। যেটিকে আরবিতে কুব্বাত আস সাখরা আর ইংরেজিতে বলা হয় ডোম অব দ্য রক। টেম্পল মাউন্টেনের ওপর অবস্থিতি গম্ভুজটি ৬৯১ খ্রিস্টাব্দে উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকের সময় নির্মিত হয়।
১৯৬৭ সাল থেকে পুরো জেরুসালেম নগরী ইসরাইলের দখলে।
ইহুদিদের দাবি এই জায়গাটিতে তাদের একটি মন্দির ছিলো প্রাচীনকালে। ক্রুসেডের সময় ইউরোপীয়রা জায়গাটি দখল করে নিয়েছিল। তবে সুলতান সালাউদ্দিন আয়ুবীর সময় সেটি আবার মুসলিমদের হাতে আসে।
গম্ভুজটির থেকে কিছুটা দক্ষিণে একটি মালভূমির মত এলাকায় অবস্থান আল আকসা মসজিদের। মুসলিমদের প্রথম কেবলা- যেটি নির্মিত হয়েছিল হযরত সুলাইমান (আ) এর সময়ে। পরবর্তীতে খলিফা হযরত ওমর (রা.)সহ বিভিন্ন সময়ে এটি পূণর্নিমান করেছেন মুসলিম শাসকরা। মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) মেরাজের রাতে আল আকসা মসজিদে অন্যান্য নবী রাসূলদের সাথে নামাজ আদায় করে এখান থেকে উর্ধ্বকাশে যাত্রা করেছেন।
সারা বছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসলিমরা এই স্থানটিতে আসে। প্রতি শুক্রবার এখানে জুমার নামাজের জন্য জড়ো হয় লাখো মুসুল্লি। এছাড়া এই মসজিদের আশপাশে ইসলাম ধর্মের আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে।
বর্তমানে জর্দান সরকারের তত্ত্ববধানে একটি কাউন্সিল আল আকসা মসজিদ ও তার আশপাশের এলাকাগুলো তদরকি করে। তবে মসজিদের চারপাশেই রয়েছে ইসরাইলি সেনাদের অবস্থান। প্রায়ই তারা মুসলিমদের নামাজে বাধা দেয়। কখনো কখনো ইহুদিরা জোরপূর্বক ঢুকে পড়ে মসজিদে।
জেরুজালেম কোথায় অবস্থিত
জেরুসালেম নগরীটির অবস্থান ফিলিস্তিনে। যদিও এখন সেটি ইসরাইলের অধীনে চলে গেছে। অর্থাৎ ইসরাইল কয়েক দফায় এই পবিত্র নগরীটি দখল করে নিয়েছে। কাগজে কলমে নগরীটি ইসরাইলের রাজধানীও। যদিও বিশ্বের বেশির ভাগ দেশ জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। আন্তর্জাতিক আইনে বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো এই নগরীটি ইসরাইলের অংশ নয়।
কিন্তু ইহুদিবাদী দেশটি জোর করেই সেখানে নিজেদের আধিপত্য ধরে রেখেছে। সেই সাথে আছে পশ্চিমা দেশগুলোর ইন্ধন। ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনের (পশ্চিম তীর) সীমানার মাঝামাঝি জায়গায় অবস্থিত জেরুসালেম। দূরত্বের দিক থেকে এটি ভূমধ্যসাগরের উপকূল আর মৃত সাগরের মাঝামাঝি জায়গায় অবস্থিত। প্রায় একই দূরত্বে জর্দান রাষ্ট্রের সীমান্ত।
১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সময় ইহুদিবাদীরা জেরুসালেমের পশ্চিমাংশ দখল করে নেয় ইসরাইল। এরপর থেকেই ক্রমশ বাড়তে থাকে ইসরাইলি দখলদারিত্ব।
জেরুজালেম বিজয়
খ্রিস্টপূর্ব আনুমানিক ৪৫০০-৩৫০০ এর মাঝামাঝি সময়ে জেরুসালেমে মানব বসতি স্থাপিত হয়। আরবি শব্দ সালাম আর হিব্রু শালিম শব্দের সম্মিলিত রূপ হিসেবে ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এটির নামকরণ করা হয় রুসালিমাম। পরবর্তীতে সেটি জেরুসালেম হয়ে ওঠে ধীরে ধীরে।
বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে এই নগরীটির বিভিন্ন সময়ের কথা এসেছে। হযরত ঈসা (আ.), হযরত দাউদ (আ), হযরত সোলামায়ন (আ) সহ ইসলাম ধর্মের বেশ কয়েকজন নবীর জীবনের বিভিন্ন ঘটনার সাথে জড়িয়ে আছে জেরুসালেমের নাম। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে এর শাসন হাতবদল হয়েছে। ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাবের শাসনামলে মুসলমানরা আবারো জেরুসালেম জয় করে একে মুসলিম সাম্ররাজ্যের সাথে যুক্ত করে নেয়।
উমর ইবনুল খাত্তাবের জয় করা জেরুসালেম সময়ের ব্যবধানে মুসলিমদের হাতছাড়া হয়ে যায়। ১০৯৯ সালে ১ম ক্রুসেডের সময় ইউরোপীয় খ্রিস্টান সেনাবাহিনী জেরুসালেম দখল করে। তবে সেটি আবার ফিরিয়ে আনেন মুসলিম ইতিহাসের কিংবদন্তী যোদ্ধা সালাউদ্দিন আইয়ুবী। তিনি ১১৮৭ সালে পুনরায় জেরুসালেম জয় করেন।
১১৮৭ সালের ২ অক্টোবর সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ূবী সেখানে ইসলামের পতাকা ওড়ানোর পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘদিন খ্রিস্টানদের অধীনেই ছিল নগরীটি। এরপর মিসর ও জার্মানদের হাত ঘুরে ১৫১৬ সালে সুলতান সেলিমের সময় ওসমানীয় খিলাফার অধীনে আসে পবিত্র নগরীটি; কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বেলফোর ঘোষণার প্রেক্ষিতে ব্রিটিশরা নিয়ন্ত্রণ নেয় জেরুসালেমের। ব্রিটিশদের প্রশ্রয়েই এখানে বাড়তে থাকে ইহুদি প্রভাব। ইউরোপ জুড়ে ইহুদি বিদ্বেষের সূচনা হলে দলে দলে ইহুদি শরণার্থীরা ভিড় জমায় ফিলিস্তিনে, বিশেষ করে জেরুসালেমে।
জেরুজালেম এর আল আকসা মসজিদে ইসরাইলি সেনারা প্রায়ই নামাজে বাধা দেয়।
জেরুজালেম ইতিহাস
ইহুদিদের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে তাদের সাথে বিরোধ তৈরি হয় স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের। ইহুদি দখলদাররা স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের কোনঠাসা করতে চেষ্টা করে। বিভিন্ন সময় এ নিয়ে দাঙ্গা, হাঙ্গামাও হয়। জেরুসালেমের দখল নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে ইহুদিরা। রক্তক্ষয়ী এক সংঘর্ষের পর ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ ইহুদি ও মুসলিম- কারো নিয়ন্ত্রণে না দিয়ে জেরুসালেমকে নিরপেক্ষ এলাকা ঘোষণা করে।
এরপর ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ডেভিড বেনগুরিয়ন ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন, সে সময়ই জেরুসালেমের পশ্চিমাংশ দখল করে নেয় ইসরাইল। আর পূর্ব জেরুসালেম ছিলো জর্দানের নিয়ন্ত্রণে। তবে এরপর থেকেই ক্রমশ বাড়তে থাকে ইসরাইলি দখলদারিত্ব।
১৯৪৮ সালের যুদ্ধের পর থেকেই পশ্চিম জেরুসালেমে ফিলিস্তিনি শহরগুলোর আশপাশে ইহুদি বসতি নির্মাণ করতে শুরু করে ইসরাইল। নিজস্ব ভূখণ্ড থেকে নীরিহ ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে নির্মাণ করা হয় এসব বসতি। ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময় পূর্ব জেরুসালেমও দখল করে নেয় ইহুদিবাদী দেশটি। আর সেই সাথে ইহুদি বসতি সম্প্রসারিত হয় পূর্বাংশেও। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে চলতে থাকে বসতি নির্মাণ। শুধু জেরুসালেম নয়, পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডেও গড়ে ওঠে একের পর এক ইহুদি বসতি।

বর্তমানে শুধু পূর্ব জেরুসালেমেই বাস করে দুই লাখের বেশি ইহুদি, শহরের সবচেয়ে বড় ইহুদি বসতিতে বাস করছে ৪৪ হাজার লোক। এখানে ইসরাইলের অনুমোদিত স্থায়ী ফিলিস্তিনি বাসিন্দা রয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার। ইহুদি বসতিগুলোকে একেকটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কমিউনিটি এলাকা হিসেবে গড়ে তুলেছে ইসরাইল। বসতিগুলোর রয়েছে নিজস্ব প্রশাসক, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ও। বলা বাহুল্য প্রতিটি বসতি ইসরাইলি সেনাবাহিনীর কড়া পাহারায় রাখা হয় সার্বক্ষণিক।
গত শতাব্দীর নব্বুইয়ের দশকে অসলো চুক্তির পর থেকে সরকারিভাবে নতুন বসতিস্থাপন বন্ধ রাখে ইসরাইল। তবে এসময় তারা পুরনো বসতিগুলোর পরিধি ক্রমশই বাড়িয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে আবার শুরু হয়েছে নতুন বসতি নির্মাণ। পশ্চিম তীর ও জেরুসালেম মিলে মোট পূর্ণাঙ্গ ইহুদি বসতি ও ছোট ছোট আউটপোস্ট রয়েছে ১৬০টি। আর দখলকৃত এসব এলাকায় বাস করছে সাড়ে ৭ লাখ ইহুদি।
জেরুজালেম মন্দির
জেরুসালেমের ওল্ড সিটিতে খ্রিস্টানদের অংশে রয়েছে যিশু খ্রিস্টের স্মৃতিবিজরিত একটি গির্জা। গির্জাটি এমন একটি জায়গায়- খ্রিস্টান ধর্মমতে যিশু খ্রিস্টের জীবনযাপন, ক্রশবিদ্ধ হওয়া, মৃত্যু ও আবার পৃথিবীতে আসার ঘটনাগুলো এই স্থানকে কেন্দ্র করেই। সে কারণে সারা বিশ্বের খ্রিস্টানদের কাছে এটি পবিত্র স্থান। অধিকাংশ খ্রিস্টানদের মতে জেরুসালেমের গোলগোথা এলাকায় বা কালভেরি পাহাড়ে যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছে এবং এখানকার গির্জার ভেতরের তাকে সমাহিত করা হয়েছে।
স্থানটি শহরের মূল দেয়ালের বাইরে তবে খুব কাছেই। আবার পৃথিবীতে আসবেনও তিনি এখানেই। খ্রিস্টানদের কয়েকটি গোষ্ঠি সম্মিলিতভাগে গির্জাটি পরিচালনা করে। গ্রিক অর্থোডক্স বিশপ, রোমান ক্যাথলিক গির্জার ফ্রান্সিকান ফাদার, আর্মেনীয় ও ইথিপিয়ান বিশপ, কপটিক খ্রিস্টান ও সিরীয় অর্থডক্স গির্জার প্রতিনিধি রয়েছেন এখানে। প্রতিবছর লাখ লাখ খ্রিস্টান এখানে আসে প্রার্থনা ও পরিদর্শনের জন্য।
দ্য ওয়াল
ইহুদিদের অংশে রয়েছে তাদের ধর্মীয় পবিত্র স্থান যেটিকে কোটেল বা দ্য ওয়েস্টার্ন ওয়াল নামে ডাকা হয়। একটি পাহাড়ের ওপর অবস্থিত দেয়ালটি, যেখানে একদা উপাসনালয় ছিলো বলে দাবি করে ইহুদিরা। ইহুদি ধর্মের সবচেয়ে পবিত্র স্থানটি সেই উপাসনালয়ের ভিতরে অবস্থিত।
ইহুদি ধর্মের মতে এখানকার মাটি দিয়েই বিশ্ব সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এখানেই আব্রাহাম তার পুত্র ঈসাককে উৎসর্গ করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। মুসলিমদের কাছে যেটি ইব্রাহীম (আ.) এর কোরবানি নামে পরিচিত। আবার অনেক ইহুদি মনে করেন মুসলিমদের পাথরের গম্ভুজের স্থানটিই তাদের পবিত্র স্থান। সারা বিশ্বের ইহুদিরা স্থানটিতে সফর করে প্রতিবছর। ইহুদি ধর্মগুরু রাব্বীরা এই স্থানটি পরিচলনা করে।
১৯৬৭ সাল থেকে পুরো জেরুজালেম নগরী ইসরাইলের দখলে। তবে এখানে অনেক ফিলিস্তিনি নাগরিক বাস করছেন এখনো। প্রতিদিন ইসরাইলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করে তারা টিকে আছেন এখানে। আর স্বপ্ন দেখছেন একদিন দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত হবে অনেক নবীর স্মৃতি বিজড়িত স্থানটি।
আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন : আহমেদ স্টোর


