সাজানো গোছানো পরিপাটি এক দেশ অস্ট্রেলিয়া । উন্নত নাগরিক জীবন, সেই সাথে আছে অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এই দুইয়ে মিলে দেশটি পেয়েছে ছবির মতো সুন্দরের তকমা। বসবাসের জন্য বিশ্বের সেরা শহরগুলোর কয়েকটি আছে অস্ট্রেলিয়ায়। এক সময়ে ব্রিটিশ অপরাধীদের বন্দী রাখার এই দ্বীপটিই আজ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর একটি। অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম কি এবং দেশটি কেমন চলুন সেসব জেনে আসি-
অস্ট্রেলিয়া কোন মহাদেশে অবস্থিত
ওশেনিয়া অঞ্চলের সবচেয়ে বড় দেশ অস্ট্রেলিয়া। যেটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশেরও মূল ভূখণ্ড। অস্ট্রেলিয়ায় মানব বসতি স্থাপিত হয়েছিল আনুমানিক ৬৫ হাজার বছর আগে। গবেষকরা বলেন, পূর্ব এশিয়া বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া থেকে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা। সে সময় পূর্ব এশিয়ার স্থলভাগ প্রায় অস্ট্রেলিয়ার কাছাকাছি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। সেখান থেকে ছোট সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে তারা পৌছেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ভূখণ্ডে। কালের বিবর্তনে সেসব স্থলভাগ বিলুপ্ত হয়ে রুপ নিয়েছে সমুদ্রে।
অস্ট্রেলিয়া নিজেই একটি মহাদেশ। অর্থাৎ মহাদেশটির নামও অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দেশ কয়টি
অল্প কয়েকটি দেশ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ গঠিত। দেশগুলো হলে অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ড বা মেইনল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া, তাসমানিয়া, নিউ গিনি দ্বীপ ( এই দ্বীপে দুটি দেশ- পাপুয়া নিউগিনি ও ওয়েস্টার্ন নিউ গিনি, আরো আছে অরু আইল্যান্ড, অ্যাশমোর এন্ড কার্টিয়ার আইল্যান্ড। এছাড়াও আরো কিছু ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত মহাদেশটি।

অস্ট্রেলিয়া আবিষ্কারের ইতিহাস
সপ্তদশ শতকের আগ পর্যন্ত দ্বীপ রাষ্ট্রটি বহির্বিশ্বের কাছে ছিলো অজানা। ১৬০৬ সালে ডাচরা প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় পৌছায় জাহাজ নিয়ে। তারা অঞ্চলটির নাম দেয় নিউ হল্যান্ড; কিন্তু বসতি স্থাপনের কোন পরিকল্পনা ছিলো না তাদের। এরপরে আসে ব্রিটিশরা। তারা নিউ সাউথ ওয়েলস অঞ্চলকে নিজেদের দাবি করে এবং অপরাধীদের বন্দীখানা বানায়। ১৭৮৮ সালে ব্রিটিশরা আনুষ্ঠানিকভাবে উপনিবেশ বানায় অস্ট্রেলিয়াকে।
দ্বীপটিতে পাঠানো হয় কয়েক হাজার অপরাধীকে। ধীরে ধীরে এই অপরাধীরা ছড়িয়ে পড়ে পুরো অস্ট্রেলিয়ায়। এক সময় আদি বাসিন্দাদের কোনঠাসা করে নিজেরা নিয়ন্ত্রণ নেয় পুরো ভূখণ্ডের অস্ট্রেলিয়ার আছে দখলদারদের সাথে আদিবাসীদের সংঘর্ষের রক্তাক্ত ইতিহাসও।
কোথাও সার্ফিং করতে মজা, কোথাও সমুদ্রের পানিতে গা ভেজাতে, কোথাও বা বালির ওপর বার্বি কিউ পার্টি করতে। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বন্ডি সৈকত।
তবে দখলদারিত্বের ইতিহাস থাকলেও সমৃদ্ধ অস্ট্রেলিয়া গঠনে ব্রিটিশদের অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই। দেশটিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ব্রিটিশদের ছিলো প্রত্যক্ষ সহযোগিতা। এখনো অস্ট্রেলিয়ায় আছে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র। ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথকেই দেশটির রানী মানা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম কি
সিডনি মেলবোর্নের মতো বড় বড় শহরের নাম যা জানেন তারা অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যান যে, অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম কি ? বসবাসের জন্য বিশ্বের সেরা শহরগুলোর কয়েকটি আছে এই দেশে। দেশটির রাজধানীর নাম ক্যানবেরা। অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটোরির উত্তর প্রান্তে অবস্থিত নগরীটি। ক্যানবেরার জনসংখ্যাা সাড়ে চার লাখের কিছু বেশি। পার্লামেন্ট ভবন, সচিবালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দফতর এখানে রয়েছে।
ছাড়াও সিডনি, মেলবোর্ন, ব্রিসবেন, এডিলেড, পার্থসহ আধুনিক নগরীগুলোতে বাসবাস করা বিশ্বের যে কোন স্থানের নাগরিকদের কাছে লোভনীয়। ভালো উপার্জন, সাজানো গোছানো নাগরিক জীবন আর অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অস্ট্রেলিয়াকে করে তুলেছে নান্দনিক। কয়েক হাজার সমুদ্র সৈকত যেমন আছে, তেমনি আছে মাইলের পর মাইল বনাঞ্চল। আছে রুক্ষ মরুভূমি ও পাহাড়ি জনপদ।
এই প্রতিবেদনের ভিডিও দেখুন :
হাজার হাজার কোরাল আর কোথায় গেলে পাওয়া যাবে? যে কারণে অস্ট্রেলিয়া মানেই বৈচিত্রের সমাহার। এসব কারণে ধীরে ধীরে সারা বিশ্বের মানুষ অভিবাসী হয়েছে দেশটিতে। পশ্চিমা শ্বেতাঙ্গরা যেমন আছে তেমনি আছে দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার মানুষ। এখনো প্রতি বছর অনেক মানুষ অভিবাসী হয় অস্ট্রেলিয়ায়। কেউ যায় উন্নত জীবনের আশায়, আর কেউ যায় নির্ঝঞ্জাট আর উপভোগ্য জীবন যাপনের জন্য।
প্রাচীনকালে ব্রিটিশ জাহাজগুলো নোঙর করতো সিডনি ও আশাপাশের এলাকায়। সেখান থেকেই পুরো অস্ট্রেলিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে ব্রিটিশরা। ধীরে ধীরে সিডনি নগরী পায় তার আধুনিক রূপ। সিডনি এখন সারা বিশ্বের মানুষের কাছেই অত্যন্ত আকর্ষণীয় এক নাম। পর্যটকদের কাছে সিডনি মানেই আলাদা কিছু।
অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রার নাম কি
অস্ট্রেলিয়ার টাকার মান কত
এ দুটি প্রশ্নের উত্তর একই সাথে দেয়া হলো। অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রার নাম অস্ট্রেলিয়ান ডলার। ১ অস্ট্রেলিয়ান ডলার সমানে ০.৬৪ মার্কিন ডলার বা ৬৪ সেন্ট (পয়সা)। আর বাংলাদেশী মুদ্রার সাথে অস্ট্রেলিয়া মুদ্রার বিনিময় হার ১ : ৭০.৩০। অর্থাৎ বাংলাদেশের ৭০ টাকা ৩০ পয়সায় পাওয়া যাবে অস্ট্রেলিয়ার ১ ডলার।
এক নজরে অস্ট্রেলিয়া
দেশ : অস্ট্রেলিয়া
অফিশিয়াল নাম : কমনওয়েলথ অব অস্ট্রেলিয়া
রাজধানী : ক্যানবেরা
ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা লাভ : ১ জানুয়ারি ১৯০১
আয়তন : ৭৬ লক্ষ ৯২ হাজার ২৪ বর্গ কিলোমিটার
জনসংখ্যা : ২ কোটি ৫৭ লক্ষ ৩০ হাজার
মুদ্রা : অস্ট্রেলিয়ান ডলার
শিক্ষার হার : ৯৯ শতাংশের বেশি
ধর্ম : ৫২ শতাংশ খ্রিস্টান, ২২ শতাংশ ধর্মহীন, ২.৬ শতাংশ মুসলিম, ২.৪ শতাংশ বৌদ্ধ। আছে হিন্দু, শিখ ও ইহুদি ধর্মাবলম্বী।
জাতীয়তা : আস্ট্রেলিয়ান বা অজি
রাষ্ট্রভাষা : ইংরেজি
সরকার ব্যবস্থা : ফেডারেল পার্লামেন্টারি
অঙ্গরাজ্য : ৬টি
পার্লামেন্ট: দুই কক্ষ বিশিষ্ট

অস্ট্রেলিয়ার দর্শণীয় স্থান
সিডনির কথা মনে পড়লে আপনার মনের আয়নায় সবার আগে যে জায়গাটির ছবি ভেসে উঠবে সেটি আর কিছু নয়- সিডনি অপেরা হাউজ। আধুনিক স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন এটি।
তিন দিকে পানি আর সামনে রয়্যাল বোটানিক গার্ডেন। খোলস আকৃতির এই স্থাপত্যটি স্বীকৃতি পেয়েছে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে। ১৯৫৭ সালে ডেনিশ স্থাপত্য শিল্পি জর্ন উটজন এর এই নকশাটি একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত হয়। অস্ট্রেলিয়া সেটি নির্মাণ করতে আগ্রহ দেখায়। তবে শুরু করলেও কর্তৃপক্ষের সাথে বিরোধের কারণে উটজন কাজটি শেষ করতে পারেননি। পরে ১৯৭৩ সালে এটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে স্থানীয় একদল স্থাপত্যবিদের তত্ত্ববধানে।
ক্যাঙ্গারু আইল্যান্ড, সাউথ অস্ট্রেলিয়া
শো উপভোগ, রেস্ট্রুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া কিংবা শুধুমাত্র ঘুরে দেখার জন্য দর্শনার্থীরা আসেন এখানে। থিয়েটার, স্টুডিও, কনসার্ট হল, প্রদর্শনী রুম ও সিনেমা হল আছে এটির ভেতরে। সিডনি অপেরা হাউজ কাছে ও দূর থেকে দেখার মাঝে আছে ভিন্ন রকম সৌন্দর্য।
পাশেই আছে সিডনি হারবার ব্রিজ। এটিও পর্যটকদের কাছে আরেক আকষর্ণীয় জায়গা। সিডনি হারবার বা পোতাশ্রয়ের ওপরে ১৯৩২ সালে নির্মিত ১৩৪ মিটার উচু ব্রিজটি মূল সিডনির সাথে যুক্ত করেছে এর উত্তর পাড়ের এলাকাকে। ব্রিজে ট্রেন, গাড়ি, বাইসাকেলের জন্য রয়েছে পৃথক লেন।
এ দুটি জায়গার বাইরে সিডনি নগরীও আপনাকে দুহাত তুলে ডাকবে তার সৌন্দর্য দেখার জন্য। নগরীতে আছে অনেকগুলো পার্ক ও জাদুঘর, ক্যাসিনো। সমুদ্র সৈকতে রোদ পোহাতে হলেও দূরে যেতে হবে না। সিডনিতেই আছে একশো টির বেশি সৈকত।
সমুদ্র সৈকত
পুরো অস্ট্রেলিয়াতেই অবশ্য সমুদ্র সৈকতের শেষ নেই। সবগুলো সমুদ্র সৈকত ঘুরে দেখতে হলে কয়েক বছর লেগে যাবে। একেক সৈকত একেক রকম সুন্দর। কোথাও সার্ফিং করতে মজা, কোথাও সমুদ্রের পানিতে গা ভেজাতে, কোথাও বা বালির ওপর বার্বি কিউ পার্টি করতে। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বন্ডি সৈকত। সিডনি নগরীর কেন্দ্রস্থল থেকে গাড়িতে মাত্র ১৫ মিনিটের দূরত্বের এই সৈকতটিতে এক সাথে পাওয়া যাবে সব কিছু। বড়দিন কিংবা ইংরেজী নববর্ষে বন্ডি সৈকতে পা ফেলার জায়গা থাকে না। পুরো সিডনি নগরী যেন তখন হামলে পড়ে এখানে।
পুরো অস্ট্রেলিয়াতেই বেড়ানোর জায়গার অভাব নেই। যার সব বলতে গেলে কয়েক হাজার শব্দ ছাড়িয়ে যাবে এই লেখা। আপনি হয়তো ভাবছেন এখনো গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের কথা কেন বলছি না! তবে শুনুন-
অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডের উত্তর-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত প্রায় ২ হাজার ৯০০টি একক প্রবাল প্রাচীরের সমন্বয়ে গঠিত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর। ৪০০ রকমের প্রবাল, দেড় হাজার প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ আর চার হাজারের অধিক প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী জায়গাটিকে করে তুলেছে জীববৈচিত্রের স্বর্গ। আছে অনেক বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীও। ১৯৮১ সালে ইউনেস্কো গ্রেট ব্যারিয়ার রিফকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এখানে সাড়ে তিন লক্ষ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে ছোটখাটো বালুকাময় প্রবালদ্বীপ থেকে শুরু করে বড় বড় পাথুরে দ্বীপসহ মোট নয় শতাধিক দ্বীপ রয়েছে।
আগেই বলেছি অস্ট্রেলিয়ায় দর্শনীয় স্থানের শেষ নেই। সাগর দেখার পর পাহাড় দেখার ইচ্ছে জাগলে চলে যাবেন ব্লু মাউন্টেন ন্যাশনাল পার্কে। সিডনির কাছেই এই অঞ্চলটিতে পাহাড়ে ওঠা, পাহাড়ি রাস্তায় ঘোড়ায় চড়ে বেড়ানো কিংবা বিচিত্রসব প্রাণীদের কাছ থেকে দেখার সুযোগ আপনাকে আনন্দিত করবে। এটিও ইউনেসকো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য।
ক্যাঙ্গারু
আর সাগর ও পাহাড় এক সাথে দেখতে চাইলে যেতে পারেন গ্রেট ওশেন রোডে। দক্ষিণ-পূর্ব উপকূল ঘেষে বিশাল এই সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে। নির্মাণ করেছেন ওই যুদ্ধ থেকে বেঁচে ফেরা সৈনিকরা। সমুদ্রের তীর ধরে কোথাও পাহাড়ের গা বেয়ে, কোথাও জঙ্গল ও পাহাড়ের বুক চিড়ে চলা দৃষ্টিনন্দন সড়কটির দৈর্ঘ্য ২৪৩ কিলোমিটার। পথে পথে আছে সৈকত, পাঁচ তারকা হোটেল, পার্কসহ অনেক কিছু। টপিক : অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম কি

এখানে পথের পাশে দেখতে পাবেন প্রকিৃতির খেয়ালে গড়ে ওঠা টুয়েলভ অ্যাপস্টেলস। চুনা পাথরের ছোট ছোট পাহাড় সদৃশ কাঠামোগুলো সমুদ্রের পানিতে পা ভিজিয়ে দাড়িয়ে আছে যেন।
অস্ট্রেলিয়াকে বলা হয় ক্যাঙ্গারুর দেশ। আর ক্যাঙ্গারু দেখার সবচেয়ে ভালো জায়গা দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার ক্যাঙ্গারু আইল্যান্ড। রাজধানী ক্যানবেরাতেও দেখা মিলবে প্রচুর ক্যাঙ্গারুর। এছাড়া উলুরু কাটা জুটা ন্যাশনাল পার্ক, ফ্রাসার আইল্যান্ড, কাকাডু ন্যাশনাল পার্কে যেতে ভুলবেন না যেন। অজিদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে ধারণা পেতে ব্রিসবেন, কেয়ার্নস, অ্যাডিলেড, পার্থের মত বড় শহরগুলোতে যেতে পারেন।
ক্রিকেট প্রেমী হলে অবশ্যই যাবেন মেলবোর্নের বিখ্যাত এমসিজি স্টেডিয়াম দেখতে। বৌরালে ডন ব্রাডম্যান স্মৃতি জাদুঘরও আপনাকে টানবে। টপিক : অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম কি
লেখবের ফেসবুক পেজটিতে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন : আহমেদ



এগিয়ে যান।
ধন্যবাদ